1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে তৃণমূল উন্নয়নে গতি আসছে: মিজান চৌধুরী জগন্নাথপুরে দুই দোকানিকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী সিলেটে জুয়ার আসরে পুলিশের হানা, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের মানবতাবিরোধী অপরাধ : ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে ইনুর আপিল ডেঙ্গুর সচেতনতায় পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইরান নিয়ে সম্ভবত আমরা বাড়াবাড়ি করে ফেলেছি: ট্রাম্প আল্লাহর ওপর আস্থা রাখার সহজ ৫ উপায় জগন্নাথপুরের কালনীরচর-ওসমানীনগরে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে ভর্তিতে পরীক্ষা

কেটে ফেলা বাঁধ মেরামত, টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি প্রবেশ বন্ধ

  • Update Time : রবিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৮
  • ৫৭১ Time View

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: প্রশাসন ও স্থানীয়দের ত্বরিত পদক্ষেপে টাঙ্গুয়ার হাওরের নাওটানার ভেঙে যাওয়া বাঁধের অংশ দিয়ে পানি প্রবেশ অবশেষে বন্ধ হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকালেই শঙ্কামুক্ত হয় হাওর। দুপুরে পানি প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবার সারারাত এই বাঁধে কাজ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও টাঙ্গুয়ার হাওর সহব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা। রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্ণেন্দু দেব বাঁধে উপস্থিত থেকে কাজ তদারক করেন। সকালে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বাঁধের কাজ তদারক করতে যান।

বৃহস্পতিবার ভোরে মাছ শিকারিরা  টাঙ্গুয়ার হাওরের বোরো ফসল রক্ষার নাওটানা বাঁধটি কেটে দেয়। এ কারণে পাটলাই নদীপাড়ের গোলাভারি গ্রামের কাছ দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকছিল টাঙ্গুয়ার হাওরে। ফলে ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার ৮৮ গ্রামের কৃষকের ফসল পানিতে প্লাবিত হবার শঙ্কা দেখা দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাতভর বাঁধের ভাঙন অংশে বাঁশ পোঁতা হয়। ভোর থেকে মাটির বস্তা ফেলে পানি প্রবেশ ঠেকানোর চেষ্টা শুরু হয়।

সকাল ৯টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, ‘শত শত মানুষের চেষ্টায় বাঁধের ভাঙন অংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পানি এখন আর হাওরে ঢুকছে না।’ দুপুর ১২টায় উপস্থিত লোকজন জানান, বাঁধ আপাতত নিরাপদ।

টাঙ্গুয়ার হাওর সমাজভিত্তিক টেকসই ব্যবস্থাপনা কমিটির উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সভাপতি আবদুস ছত্তার বলেন, ‘প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে ৮৮ গ্রামের কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল রক্ষা পেয়েছে। এলাকার মানুষ যেমন ভাঙন ঠেকাতে আন্তরিক ছিলেন, তেমনি প্র্রশাসন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও আন্তরিক ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সারারাত বাঁধে

কাটিয়েছেন। জেলা প্রশাসক কিছুক্ষণ পর পর খোঁজ নিয়েছেন। তাদের সবার প্রচেষ্টায় হাওরের ফসল রক্ষা পেয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খসরুল আলম বলেন, ‘আমরা কাজ করেছি। টাকা কোথা থেকে আসবে, চিন্তা করিনি। যেখানে যা লাগে করেছি। শনিবার সারাদিন কাজ হয়েছে। রাতেও কাজ হবে। আমরা বাঁধকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে চাই।’

পূর্ণেন্দু দেব বলেন, ‘আমাদের প্রায় ৩০০ শ্রমিক ছিল। এর বাইরেও অসংখ্য কৃষক এসে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। স্রোতের মধ্যে বাঁশ পুঁততে অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রবল স্রোত থাকায় মানুষকে নামানোও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত বিপদ কেটেছে।’

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওরের এই অংশের ভাঙন দ্রুত বন্ধ করা না গেলে হাওরের কিছু ফসলি জমি ডুবে যেত। আমাদের প্রচেষ্টা ছিল যাতে একজন কৃষকের ফসলও নষ্ট না হয়। সে জন্য সারারাত স্থানীয় মানুষের সহায়তায় তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে ওখানে কাজ হয়েছে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com