1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের লাশ/ বাসায় ডেকে আনা ব্যক্তিই কেড়ে নেন তিন প্রাণ: পিবিআই দিরাইয়ে জলমহাল থেকে দেড় কোটি টাকার মাছ লুটের অভিযোগ বিদ্যুৎ সংকট কমবে কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুরে র‍্যালি ও আলোচনাসভা ​ জ্বালানি সংকট উত্তরণে সংসদে বিরোধী দলের ৪ প্রস্তাব, সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বাড়িতে মিললো যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ সত্য প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও শিষ্টাচারের গুরুত্ব ১০ বার ডেকেও আসেননি নার্স! জগন্নাথপুর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী

জগন্নাথপুরের ডাউকি নদী মরাখালে পরিণত

  • Update Time : বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ২৫৯ Time View

সংবাদদাতা::- ডাউকি,এটি একটি নদীর নাম। জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়ন ও ছাতক উপজেলার ভাতগাওঁ ইউনিয়নের বুক চিরে যার পথচলা । আয়তনের দিক দিয়ে ততোটা বড় নাহলেও অন্য যে কোন দশটি নদীর মতো ডাউকি একদিন ছিলো যৌবনা। ছিল তার রুপ-সৌন্দর্যও ‘দু’ ধারে কাশবন। ছোটদের দৈড়ঝাপ,ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ,পাল তুলা নৌকা আর মাজিমাল্লার আত্মভোলা গুণগুণানি সুর,উভয় পাড় ছিল মুখরিত। পাশাপাশি এতদ্বঞ্চলের মানুষের ব্যবসা-বানিজ্য সহ কৃষক স্থলের ভরসা স্থল,মৎস জীবিদের জীবিকা নির্বাহের প্রধান মাধ্যম ছিল এই ডাউকি নদী। কালের বির্বতনে সর্বভোগীদের কবলে পড়ে নদীটি এখন ‘মৃতপ্রায়’। ময়লা-আর্বজনা ফেলে ডাউকীর তলদেশ যেমন ভরাট করা হচ্ছে,তেমনিভাবে উভয় তির ভরাট করে স্থায়ী-অস্থায়ী ভাবে অবৈধ দোকান পাঠ ও প্রভাবশালীদের বাড়ির নিজস্ব রাস্তা নদীর বুকে নির্মানের ফলে নদীটি তার জৌলুস হারিয়ে,এখন মরাখালে পরিণত হয়েছে। আর তাই ভরাবর্ষা মৌসমে নদীতে যেনো হাটুজল।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষথেকে কোনো অবৈধ দখল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আরও বলেন আমাদের পক্ষথেকে অভিযোগ করা হলেও তা অদৃশ্য ইশারায় বন্ধ হয়েযায় প্রশাসনিক তৎপরতা। অভিযোগ রয়েছে ক্ষমতার পালা বদলের সাথে সাথে রাজনৈতিক দলের কতিপয় নেতা-কর্মীরা দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ দখলে মেতে উঠে। ফলে এসব দখলদারদের দৌরত্বের কাছে প্রশাসনের অসহাযত্বই ফুঠে উঠছে বারবার। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চোখের সামনে আইনের তোয়াক্কা না করে নদীর চরে স্থায়ী বিল্ডিং ও নদীর বুকের উপর দিয়ে বাড়ীর নিজস্ব রাস্তা নির্মান করলেও তারা দেখেও নাদেখার ভান করে বসে থাকেন। নতুন অবৈধ নির্মান কাজ শুরু করলে তখন সংস্লিষ্ট কমৃকর্তারা প্রথমিক ভাবে কাজ বন্দ করে দেন। কাজ কিছু দিন বন্ধ থাকার পর আবারও ওই দখলদারদের নির্ভয়ে নির্মান কাজ শুরু করেন। কিন্তু এ সময় রহস্যজনক ভাবে নিরব থাকেন সংস্লিষ্ট কমৃকর্তারা। এদের বিরুদ্বে কঠুর আইনি ব্যবস্থা না নেয়ায় একের পর এক স্থাপনা নির্মান করার মহাৎসবে পরিণত হয়েছে। ডাউকী নদীর উৎপত্তিস্থল থেকে সুরমা নদীতে মিলিত হওয়ায় মধ্যবর্তী অঞ্চলের বির্স্থীন এলাকায় নদীর প্রয়োজনয়িতা ও গুরুত্ব অপরিসীম।

নদীর বৃহদাংশে জগন্নাথপুর উপজেলায় থাকায় নদীটি জগন্নাথপুরবাসীর সুখ-দুঃখ সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। বেশ কটি হাওর ও নদী তীরবর্তী এলাকা শীতকালে কৃষি কাজের প্রযোজনীয় পানির উৎসব বলতে একমাত্র ডাউকী নদী। বর্ষা মৌসমে নদীতে সঠিক পরিমানে পানি কাটতে না পারায় দেখাদেয় জ্বলবদ্বতা ও বন্যা। এর ফলে স্থানীয় নদীর তীরবর্তী এলাকায় যারা বসবাস করেন তাদের বাড়ীতে পানি উঠে, ফলে ছোট বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়েযায়। অতিষ্ট হয়ে উঠে জনজীবন। শুধু তাই নয় এই এলাকার মানুষের প্রধান আয়ের উৎস হল কৃষি। কিন্তু নদীতে অবৈধ বাড়ীর রাস্থা নির্মানের ফলে সঠিক পরিমানে পানি চলাচল করতে না পারায়র এখানকার কৃষক দের অধিকাংশ ফসল পানির নিচে চলেযায়। কিছুদিন পূর্বে নদী খননের কথা শুনে এলাকার মানুষের মুখে হাসি দেখা গেলেও তা আবার মলিন হয়ে যাচ্ছে দখলদারদের কারনে। প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে একের পর এক ডাউকী নদীর চরে অবৈদ স্থাপনা নির্মান করে যাচ্ছেন প্রভাবশালী মহল। স্থানীয় এলাকার জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক,সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাজীবি সংগঠনের লোকজন জানায়,নদীর দু পারে দখলবাজরা অবৈদ স্থায়ী বিল্ডিং নির্মান করছে। তাছাড়া সংস্লিষ্ট সরকারি কতিপয় কর্মকর্তারা দখলবাজদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে নিরবে বসে থাকেন। স্থানীয় এলাকা বাসীর জুরালো দাবী, অতি শ্রীঘ্রই যাতে সরকারের পক্ষ থেকে ডাউকী নদীর চরে নির্মিত স্থায়ী বিল্ডিং ভেঙ্গে ফেলা হয় ও নদীর উপর নির্মিত রাস্তা খনন করে দখল মুক্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com