1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গুলশানে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের প্রতীক নয়, সমর্থন থাকবে’ হাদিসের বাণী:রাস্তায় চলাচলের সময় যেসব আদব মেনে চলা জরুরি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থানীয় কমিটি সদস্য হলেন এমপি কয়ছর আহমদ চ্যালেঞ্জ করে জিপিএ-৫ পেল জগন্নাথপুরের ফারহা ও পূর্বা জগন্নাথপুরে গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু মাওলানা ইমদাদুল্লাহর মৃত্যুতে কয়ছর আহমদ এমপির শোক ও সমবেদনা প্রকাশ শায়খে কাতিয়ার বড় ‘সাহেবজাদা’ মাওলানা ইমদাদুল্লাহ’র ইন্তেকাল এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, নতুন জিপিএ ৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী ইউপি নির্বাচন: দেড় দশক পর বাড়ছে প্রার্থীর জামানত ও ভোটের ব্যয়

জগন্নাথপুরে নৈশপ্রহরী হিরন মিয়া খুনের ঘটনা সন্দেহের তীর পলাতক পাহাড়াদার ইছাকের দিকে

  • Update Time : বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ২৬২ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:: জগন্নাথপুরে মায়া ফুড এন্ড ফিসারিজের পাহাড়াদার চাঞ্চল্যকর হিরন মিয়া হত্যার রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে। সন্দেহের তীর এখন নিহত হিরন মিয়ার সাথে থাকা অন্য পাহাড়াদার ইছাক মিয়ার প্রতি। কারণ হত্যাকান্ডের পরপরই ইছাক মিয়া পালিয়ে গেছে। এলাকাবাসীর ধারনা ইছাক মিয়াকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার মুল রহস্য বেরিয়ে আসবে। এদিকে হিরন মিয়া হত্যা মামলাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে চেষ্ঠা করছে একটি কুচক্রি মহল। তারা পূর্ব শক্রতার কারণে নিরপরাধ লোকদের আসামি করার চেষ্ঠা করছে। নিহতের ছোটভাই মনিরুল জানান, মায়া ফুড এন্ড ফিসারিজের কেয়ারটেকার আঙ্গুর মিয়া আমাদেরকে বলছে তাদের কথামতো কয়েকজন লোককে আসামি করলে তারা সব খরচ দিবেন। মনিরুল জানান, পলাতক ইছাক আঙ্গুর মিয়ার আপন শ্যালক। তাকে বাঁচাতে ও নিরপরাধলোকদের ফাঁসাতে আঙ্গুর মিয়া মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্ঠা করছেন। হত্যা মামলার বাদী আনা মিয়া বলেন,যেহেতু পাহাড়াদার ইছাক পালিয়েছে সে দোষী না হলে পালিয়ে যেত না। সেই হত্যাকারী তাকে ধরা গেলে সবকিছু খোলাসা হয়ে যাবে। সন্দেহজনকভাবে গ্রেফতারকৃত রাজরু ব্যাপারে আনা মিয়া বলেন,সে আমার চাচাত্বো ভাই। তার ব্যাপারে আমি অভিযোগ করিনি। পুলিশ সন্দেহজনকভাবে তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। জগন্নাথপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মুরসালিন জানান, হিরন মিয়ার হত্যার নির্মম ঘটনাটি আমি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। পলাতক পাহাড়াদার ইছাক এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারনা করা হচ্ছ্।ে তাকে গ্রেফতার করা গেলে সব কিছু পরিস্কার হয়ে যাবে। তিনি বলেন, নিরপরাধ কাউকে হয়রানী করা হবে না। প্রকৃত খুনিকে গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এজন্য তিনি সাংবাদিকসহ এলাকাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন। সরেজমিন ঘটনাস্থল পরির্দশন করে জানা যায়, নিহত হিরন মিয়া প্রায় দেড় মাস যাবৎ জগন্নাথপুরের হাসিমাবাদ এলাকায় মায়া ফিসারিজে পাহাড়াদার হিসেবে কর্মরত ছিল। এ ফিসারিজে আরো আটজন পাহাড়াদার কর্মরত আছে। ঘটনার পর থেকে ইছাক মিয়া পলাতক রয়েছে। আশেপাশের লোকজন জানান, ঘটনার দিন রাতে পাহাড়াদারদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে। মায়া ফিসারিজের স্বত্বাধিকারী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুন নুর এর চাচাত্বো ভাই আলী হোসেন জানান,রাতে পাহাড়াদারদের মধ্যে চিৎকার ও ঝগড়া শুনতে পাই। পলাতক পাহাড়াদার ইছাক কে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মুল ঘটনা বেরিয়ে আসবে। ঘটনাস্থলের পাশ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা আব্দুল মতলিব জানান,শুক্রবার রাত অনুমান দুইটার দিকে ওই ফিসারিজের পাহাড়াদারদের মধ্যে চিলাচিল্লি ও ঝগড়া শুনতে পাই। তিনি জানান,এখানে একজন খারাপ মহিলা রয়েছে। নারীঘটিত কারণে হয়তো পাহাড়াদারদের মধ্যে ঝগড়া ঘটতে পারে। অথবা অন্যকোন কারণও থাকতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফিসারিজের পাশ্ববর্তী কয়েকজন বাসিন্দা জানান, প্রতিদিন রাতে ফিসারিজে মদ ও গাঁজার আসর বসত। প্রায় দিনই চিলাচিল্লি ও ঝগড়াঝাটি হতো । উল্লেখ্য গত শনিবার সকালে জগন্নাথপুর উপজেলা সদরের হাসিমাবাদ এলাকার মায়া ফুড এন্ড ফিসারিজের পাহাড়াদার হিরন মিয়া(২৮) এর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে নিহতের বড় ভাই আনা মিয়া বাদি হয়ে জগন্নাথপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ০৬-তারিখ-১০-১২-১৬ নিহত হিরন মিয়া পৌর এলাকার কেশবপুর গ্রামের মৃত হুশমত আলীর পুত্র। হত্যাকান্ডের পর থেকে পলাতক পাহাড়াদার ইছাক মিয়ার বাড়ি পাটলী ইউনিয়নের সাতহাল গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার পুত্র।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com