1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ইতালির কথা বলে লিবিয়া নিয়ে নির্যাতন, টাকায়ও মেলে না মুক্তি সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী ‘নতুন জীবনের’ খোঁজে বাড়ি থেকে পালানো ৪ স্কুলছাত্রী হবিগঞ্জে উদ্ধার মানুষ নিজেই আল্লাহর কুদরতের বিস্ময়কর নিদর্শন সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে থাকছে ১৪ শতাংশ কোটা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে তৃণমূল উন্নয়নে গতি আসছে: মিজান চৌধুরী জগন্নাথপুরে দুই দোকানিকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে সেনাবাহিনী সিলেটে জুয়ার আসরে পুলিশের হানা, নদীতে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের মানবতাবিরোধী অপরাধ : ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে ইনুর আপিল

ব্রিটিশ এমপিদের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০১৫
  • ৩৭০ Time View

আমিনুল হক ওয়েছ লন্ডন থেকে:: ব্রিটিশ এমপিদের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনে ব্রিটিশ এমপিদের কাছে প্রশংসিত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার হাউস অব কমন্সে তাঁর সম্মানে আয়োজিত অল পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপের রিসিপশন অনুষ্ঠানে উপস্থিত এমপিরা প্রধানমন্ত্রীর এই উন্নয়ন নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।
এই রিসিপশনের হোস্ট ছিলেন হোম অ্যাফেয়ার্স সিলেক্ট কমিটির চেয়ারম্যান লেবার দলীয় সিনিয়র এমপি কীথ ভাজ।
সফরসঙ্গী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়সহ সফরসঙ্গী গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের বহনকারী গাড়িবহর হাউস অব কমন্সে ঢুকলে হাউস অব কমন্সের স্পিকার জন বারকো গাড়ির দরজায় এসে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানিয়ে অনুষ্ঠান স্থলে নিয়ে যান।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত তিন এমপি রোশানারা আলী, ড. রূপা হক ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ প্রায় ৩০ জন এমপি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এমপিদের প্রশংসার জবাবে প্রধানমন্ত্রী ব্রিটিশ এমপিদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, বাংলাদেশের জন্মলগ্নে ব্রিটিশ রাজনীতিক ও জনগণের সহযোগিতার বিষয়টি আমাদের ইতিহাসের অংশ।
এ সময় ২০০৭-২০০৮ সালে কেয়ারটেকার সরকারের আমলে তাঁর দেশে ফেরার পক্ষে ব্রিটিশ এমপিদের সোচ্চার হওয়ার কথাও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশকে একটি দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই তাঁর মূল লক্ষ্য এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্যমুক্ত এই দেশটি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত হবে, এটিই আমাদের চাওয়া।
বাংলাদেশ ওয়েস্ট মিনিস্টার স্টাইলের ডেমোক্রেসি ফলো করছে জানিয়ে ব্রিটিশ এমপিদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউশনগুলোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছি।
ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ধর্মের মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করতে পারেন এর সাংবিধানিক স্বীকৃতি রয়েছে আমাদের দেশে।
অনুষ্ঠানের হোস্ট কীথ ভাজ তার স্বাগত বক্তব্যে শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, তাঁর সম্মানে আজকের এই অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পেরে আমরা সম্মানিত বোধ করছি। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একজন ‘গর্বিত নারী’ বলে মন্তব্য করে বলেন, তিনি তাঁর কর্মের মাধ্যমে অনেকের জন্যই উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে টিউলিপ সিদ্দিক এমপি বলেন, তার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তার খালার কাছ থেকে অনেক কিছুই শিক্ষা নিচ্ছেন তিনি।
তার এই শিক্ষাই গত নির্বাচনে কাজে লেগেছে বক্তৃতায় এমন মন্তব্য করেন টিউলিপ।অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আইটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উন্নয়নের বর্ণণা দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গ্রাম পর্যায়ে এখন ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ভিশনেরই অন্যতম একটি অংশ।কনজারভেটিভ দলীয় এমপি আন মেইন তার বক্তৃতায় ব্রিটেন-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পারষ্পরিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, এই সম্পর্ক দিন দিন আরো সুদৃঢ় হচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com