1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই জমি সংক্রান্ত বিরোধে কৃষককে হত্যা, তিন ভাইয়ের ফাঁসি, ১০ জনের যাবজ্জীবন জগন্নাথপুরে প্রাথমিকে নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষকদের বরণ করল সহকারী শিক্ষক সমিতি জগন্নাথপুরে উত্তরাধিকারী সনদ না দিয়ে প্রবাসীকে হয়রানির অভিযোগ সুনামগঞ্জে তুচ্ছ বিষয়ে নিয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৫ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ ইয়েমেনে লড়াই তীব্র, এডেন বিমানবন্দরে হুতিদের হামলা সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু সিলেটে ‘মনটানা রেস্টুরেন্ট’কে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড পুলিশ দেখে দেড় কিলোমিটার দৌড়েও শেষ রক্ষা হয়নি বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যার ৭ বছর, আপিল নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকরের অপেক্ষা

সুনামগঞ্জে বিরল রায়; ৪৯ শিশু নিজ বাড়িতে থেকে সংশোধনের সুযোগ পেল

  • Update Time : শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৮৩ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

সুনামগঞ্জের আদালতে পৃথক ৩৫টি মামলায় আসামি ছিল ৪৯ শিশু। তাদের বিরুদ্ধে এমন অপরাধের অভিযোগ ছিল, যা বিচারে প্রত্যেকের শাস্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বয়সগত কারণে অপরাধ বিবেচনা করে ওই শিশুদের আদালতে নিয়মিত হাজিরা থেকে মুক্তি দিয়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সব মামলা নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের বদলে ৪৯ শিশু এখন বাড়িতে মা-বাবা ও স্বজনদের সান্নিধ্যে থেকে নিজেদের সংশোধনের সুযোগ পেল। তবে এই সময় শিশুদের ১০টি শর্ত মানতে হবে।

গতকাল বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকির হোসেন সব আসামি, তাদের অভিভাবক, আত্মীয়-স্বজন ও আইনজীবীদের উপস্থিতিতে এসব মামলায় ব্যতিক্রমী এই রায় ঘোষণা করেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট নান্টু রায় জানান, আদালত ৩৫টি শিশু অপরাধ মামলায় একসঙ্গে যুগান্তকারী একটি রায় দিয়েছেন। আদালত বলেছেন, প্রবেশনের সময় অপরাধে জড়িত শিশুদের মা-বাবার আদেশ-নির্দেশ মেনে চলতে ও সেবাযত্ন করতে হবে; ধর্মীয় অনুশাসন মানতে ও ধর্মগ্রন্থ পাঠ করতে হবে; প্রত্যেককে কমপক্ষে ২০টি গাছ লাগাতে ও পরিচর্যা করতে হবে; অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করতে হবে; ভবিষ্যতে তারা কোনো অপরাধে জড়াতে পারবে না। আর তাদের বাড়িতে গিয়ে এসব বিষয় তত্ত্বাবধান করবেন জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা।

আদালত উল্লেখ করেন, এই রায়ের ফলে ছোটখাটো অনেক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হলো। শিশুরা তাদের আপন ঠিকানা ফিরে পেল। মা-বাবার দুশ্চিন্তার অবসান হলো। তাঁরা আদরের সন্তানকে নিজের কাছে রেখে সংশোধনের সুযোগ পেলেন। তবে অভিভাবকদেরও শিশুদের সংশোধনের বিষয়ে নজর রাখতে হবে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রবেশনে দেওয়া এসব শিশুর বিরুদ্ধে মারামারিসহ বিভিন্ন সাধারণ অভিযোগ ছিল। আমলযোগ্য এসব অভিযোগের নিশ্চিত শাস্তির বিধানও ছিল।

সুনামগঞ্জ জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান বলেন, ‘প্রবেশনকালে এই শিশুরা শর্তগুলো যথাযথভাবে পালন করছে কি না সেটির তত্ত্বাবধান করা আমার দায়িত্ব। পাশাপাশি অভিভাবকদের দায়িত্ব রয়েছে এসব শর্ত পালনে তাদের সহযোগিতা করা, পাশে থাকা। তিন মাস পর পর আদালতে এ বিষয়ে আমাকে প্রতিবেদন দিতে হবে।’

সুত্র-কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com