1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মন্দ ধারণার সুযোগ না দেওয়া: নবীজির জীবন থেকে একটি শিক্ষা সুনামগঞ্জে ডোবায় মাছ ধরা নিয়ে চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় এক ব্যক্তিরমৃত্যু সিলেটে রাষ্ট্রপতি:আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারকে হটিয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, এখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই প্রধান কাজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড মরণোত্তর দেহদান করে প্রশংসায় ভাসছেন জগন্নাথপুরের যুবক লিটন দাশ বানিয়াচংয়ে মাছ ধরা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০ মদিনায় ১১ কোটি টন দুর্লভ খনিজ-ইউরেনিয়ামের সন্ধান পেল সৌদি আরব ডিএমপির কড়া বার্তা:আ.লীগের মিছিল ঠেকাতে ব্যর্থ হলে দায় নিতে হবে ওসি-ডিসিকে কোরআনের বর্ণনায় অন্তরের সুস্থতা ও অসুস্থতা ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আগুন, পদদলিত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু

স্ত্রী তালাক দেওয়ায় প্রতিবেশী শিশুকে খুন !

  • Update Time : শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২৬৩ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী তালাক দেওয়ায় সন্দেহ হয় প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার ওপর। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিবেশীর দ্বিতীয় শ্রেণি পড়ুয়া ছেলেকে তুলে এনে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ফারুক নামের এক নির্মাণ শ্রমিকের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার ফারুকের বাড়ির পাশের একটি বিল থেকে স্কুলব্যাগসহ স্কুলছাত্র রেজাউল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ময়মনসিংহের নান্দাইলের আচারগাঁও ইউনিয়নের ধরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ধরগাঁও গ্রামের ছেতরা বিলে এক শিশুর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে অর্ধগলিত ও ফুলে যাওয়া লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। ওই সময় শিশুর কাঁধে তার স্কুলব্যাগ ছিল। ব্যাগের ভেতরে বইয়ের মধ্যে নাম ও পরিচয় লেখা ছিল। সেই সূত্র ধরে খবর পাঠানো হয় পরিবারের লোকজনকে।

ছেলের লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে থানায় ছুটে আসেন ভ্যানচালক সোবহান মিয়া, স্ত্রী মোর্শেদা বেগম ও বড় ভাই ষষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া মোকশেদুল ইসলাম। বিকেলে নান্দাইল মডেল থানায় গিয়ে ছেলের লাশ শনাক্ত করেন তারা। এ সময় তাদের আহাজারিতে থানা চত্বরের পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন মা মোর্শেদা বেগম।

শিশু রেজাউলের বাবা সোবহান মিয়া জানান, তারা গাজীপুরের যে বাসায় ভাড়া থাকতেন, একই বাসায় ভাড়া থাকতেন নান্দাইলের ধরগাঁও এলাকার রাজমিস্ত্রি শ্রমিক ফারুক মিয়া। গত মঙ্গলবার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্কুলের বন্ধুদের কাছে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ফারুক ও তার সহযোগী সেলিম মিয়া রেজাউলকে নিয়ে গেছে। এরপর রেজাউল ও ফারুকের সন্ধান করে না পেয়ে পর দিন বুধবার জয়দেবপুর থানায় তার স্ত্রী বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

সোবহান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ফারুক কয়েক দিন ধরেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। সেই আমার ছেলেকে তুলে এনে হত্যা করেছে।’

শুক্রবার নান্দাইল মডেল থানার ওসি (তদন্ত) খলিলুর রহমান হাওলাদারের কক্ষে বসে ফারুকের সাবেক স্ত্রী লাকি আক্তার সাংবাদিকদের জানান, ফারুকের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন তিনি। দু’জনের মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় এক মাস আগে তাকে তালাক দিয়ে বাবার বাড়ি নান্দাইলের রাজগাতি ইউনিয়নের কালীগঞ্জে চলে যান তিনি। কিন্তু এই তালাকের পেছনে প্রতিবেশী সোবহান ও তার স্ত্রীর হাত রয়েছে বলে সন্দেহ করে ফারুক। এ জন্য তাকে এবং সোবহানকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেয় সে। ফারুকই শিশুটিকে তুলে এনে হত্যা করেছে।

শিশু রেজাউলের মা মোর্শেদা বেগম আহাজারি করে বলেন, ‘আমার ছেলের কী দোষ ছিল। তাকে কেন এমনভাবে প্রাণ দিতে হলো।’ ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন তিনি।

লাশটির সুরতহাল করেন নান্দাইল মডেল থানার এসআই মো. নুরুল হুদা। তিনি জানান, লাশটি ফুলে থাকায় ঠিক কীভাবে হত্যা করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। তবে মনে হচ্ছে, অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

নান্দাইল মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. খলিলুর রহমান হাওলাদার বলেন, সন্দেহের বশবর্তী হয়ে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com