Site icon জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর

জকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে, উৎসবমুখর ক্যাম্পাস

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ পাওয়ার পর প্রথমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী  আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেখা গেছে, পুরো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। লাইন ধরে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

নির্বাচন সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত জকসু নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও নেতৃত্ব বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি আশা করি, ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে সুশৃঙ্খলভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের জকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৪৪৫ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৮ হাজার ৪৭৯ জন এবং পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ১৭০ জন। কেন্দ্রীয় সংসদ ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থী রয়েছেন ১৯০ জন।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণের জন্য মোট ৩৯টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বসানো হয়েছে ১৭৮টি বুথ। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ৩৮টি কেন্দ্র এবং একটি হল সংসদের জন্য আলাদা কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ কেন্দ্রে প্রস্তুত রয়েছেন। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবক দল মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানাচ্ছেন। প্রার্থীরা শিক্ষার্থী ও ভোটারদের কাছে শেষবারের মতো ভোট ও দোয়া চাইছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে।

Exit mobile version