Site icon জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর

জগন্নাথপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নদী থেকে বালু উত্তোলন

স্টাফ রিপোর্টার::

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের কুশিয়ারা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কুশিয়ারা নদীর ওই অংশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

ইতোমধ্যে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, নতুন কসবা গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা-সংলগ্ন কুশিয়ারা নদীর তীরজুড়ে দেখা দিয়েছে ভাঙন। ক্ষতিগ্রস্ত এসব ভাঙনকবলিত এলাকায়ও চলছে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন। এতে করে এলাকায় ঝুঁকির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে পরিবেশ সুরক্ষায় বালু উত্তোলন বন্ধে ইতোমধ্যে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেও কোনো সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
গত দুই সপ্তাহ ধরে মা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি কোম্পানি জগন্নাথপুরের পাইলগাঁও ইউনিয়নের অলৈতলী ও খানপুর মৌজার অংশে রাতে কুশিয়ারা নদীর ভাঙনকবলিত স্থান থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, অপরিকল্পিত ও পরিবেশের ক্ষতি সাধন করে কুশিয়ারা নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করায় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, পূর্ব জালালপুর, নতুন কসবাসহ এলাকাবাসীকে কুশিয়ারা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষা করতে এবং অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জালালপুর গ্রামের জাহির আলী বালু উত্তোলন বন্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন।

২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), পানি উন্নয়ন বোর্ড সুনামগঞ্জ ও পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেটকে বালু উত্তোলন বন্ধে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু হাইকোর্টের এই আদেশ বাস্তবায়ন হয়নি।
চলতি বছরের ২১ মে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুহসিন উদ্দীন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, কুশিয়ারা নদীর জগন্নাথপুর উপজেলার অংশে কোনো বালুমহাল নেই।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের অংশে মা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি কোম্পানির তপশিলভুক্ত জায়গায় বালু উত্তোলনের অনুমোদন আছে।

Exit mobile version