Site icon জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর

জগন্নাথপুরে প্রবাসী ছমির আলীর প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা ও এতিমখানা এলাকাকে আলোকিত করছে

স্টাফ রিপোর্টার- সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবী শিক্ষানুরাগী হাজী ছমির আলীর প্রতিষ্ঠিত সমসর আলী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা এলাকার হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে নিরলস ভাবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি এলাকার হতদরিদ্র এতিমের জীবনযাত্রার মানন্নোয়নের সুরক্ষিত ঠিকানা হিসেবে দিন দিন ব্যপ্তি ছড়াচ্ছে। মনোরম সুরম্য পরিবেশে এতিমখানায় রয়েছে থাকা খাওয়ার সু ব্যবস্হা। সরেজমিনে ঘুরে এলাকাবাসীর সাথে আলাপ করে জানা গেছে, পাগলা জগন্নাথপুর আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ঐতিহ্যবাহী মজিদপুর গ্রামে যুক্তরাজ্য প্রবাসী সমাজসেবী শিক্ষানুরাগী হাজী ছমির আলী তাঁর বাবার নামে ২০১৭ সালে সমসের আলী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত করেন। মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাশে রয়েছে তার প্রিয়তমা স্ত্রীর নামে সাফিয়া মাকেট ও ছেলের নামে সায়েক কমিউনিটি সেন্টার। ১২ কেদার জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এসব স্হাপনার পেছনে রয়েছে ৫ টি মাছের খামার। এসব প্রতিষ্ঠানের আয় সমসের আলী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ব্যয় হয়।
মাদ্রাসা ও এতিমখানার দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক আবু তাহের জানান, বর্তমানে ২১ জন শিক্ষার্থী আছে। তাদের খাওয়া ধাওয়া আবাসিক সুব্যবস্হা প্রতিষ্ঠাতা সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী ছমির আলীর পক্ষ থেকে করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ইসলামি শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রাখছে।
মজিদপুর গ্রামের বাসিন্দা তরুণ সমাজকর্মী মারজুম আহমেদ রাজ জানান, প্রতিষ্ঠানটি মানবসেবা ও ইসলামি শিক্ষার প্রসারে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে মজিদপুর গ্রামকে আলোকিত করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা এ নিয়ে গর্বিত। প্রতিষ্ঠানের আরো সমৃদ্ধি কামনা করছি।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি সমাজসেবী হাজী ছমির আলী জানান,আমি দীর্ঘদিন ধরে দেশের হতদরিদ্র মানুষের জন্য কাজ করছি। নিজ এলাকায় প্রাতিষ্ঠানিক কিছু করার চিন্তা থেকে হত দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের ইসলামি শিক্ষার জন্য মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠিত করেছি। এ প্রতিষ্ঠান কে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছে রয়েছে। তিনি বলেন মাদ্রাসা ও এতিমখানার পাশে প্রতিষ্ঠিত কমিউনিটি সেন্টার,ফিসারি,মার্কেটের আয় এতিমখানা ও মাদ্রাসায় উন্নয়নে ব্যবহার হবে। তিনি প্রতিষ্ঠান কে এগিয়ে নিতে এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেন।

Exit mobile version