স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বিয়ের চার মাসের মাথায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের হাড়গ্রাম থেকে হালিমা খাতুন (২২) নামে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি মালয়েশিয়া প্রবাসী সুনু মিয়ার স্ত্রী।
আজ রোববার (২ আগষ্ট) মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের চৈতন্যপুর গ্রামের আছাব মিয়ার মেয়ে হালিমা খাতুনের সঙ্গে সুনু মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর সুনু মিয়া মালয়েশিয়ায় চলে যান। এরপর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে হালিমার মনোমালিন্য চলছিল বলে পরিবারের দাবি।
শনিবার বিকেলে হালিমার কক্ষের দরজায় বারবার ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা জানালা দিয়ে তাকিয়ে তাকে শয়নকক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার পর মেয়ের স্বজনরা এটিকে পরিকল্পিত হত্যা দাবি করলে উভয় পরিবারের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নজমুদ্দিন বলেন, মেয়ের পরিবারের অভিযোগের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে মরদেহ পুলিশকে নিতে সহযোগিতা করা হয়।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

