লিবিয়ার পূর্ব উপকূলের কাছে ভূমধ্যসাগরে একটি কাঠের নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৫০ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার পথে নৌকাডুবির ঘটনা নিয়মিত ঘটছে। ২০১১ সালে ন্যাটোর সমর্থনে বিদ্রোহের মাধ্যমে মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশটি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। সেই সুযোগে মানবপাচারকারী চক্রগুলো লিবিয়াকে ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান যাত্রাপথ হিসেবে ব্যবহার করছে। সংঘাত, দারিদ্র্য ও সহিংসতা থেকে বাঁচতে সাব-সাহারা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের হাজারো মানুষ প্রতিবছর মরুভূমি পেরিয়ে লিবিয়ায় পৌঁছান। সেখান থেকে ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে এই যাত্রায় প্রতিবছর অনেক অভিবাসী প্রাণ হারান বা নিখোঁজ হন। উল্লেখ্য যে, এর আগে গত জুন মাসে তবরুক শহরের কাছেই আরেকটি নৌকা ডুবে যায়। সে ঘটনায় অন্তত ২৬ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছিল লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ। সূত্র-কালের কণ্ঠ

