1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
যুক্তরাজ্যে মতবিনিময়সভায়-কয়ছর আহমেদ, জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ আর কখনো অবহেলিত থাকবে না জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জগন্নাথপুরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সভা ও  বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত দেশের বারোটা বাজবে আর আমরা আঙুল চুষব, এটা হবে না: জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, এনসিপির অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইহকাল-পরকালে মায়ের খিদমতের উপকারিতা সাংবাদিক সানোয়ার হাসান সুনু ও জগন্নাথপুর গ্রামবাসী কে  নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত  সুনামগঞ্জের জামালপুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, ১৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার ঢাকার তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন জগন্নাথপুরের সন্তান অধ্যক্ষ শহিদুল আলম এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন

বোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা ভয়াবহ পাপ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন এবং দুনিয়ার জীবনে সঠিকভাবে চলার জন্য কিছু বিধান ও নিয়ম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এসব বিধান পালন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য; কারণ এর মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের অধিকার সংরক্ষিত হয় এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিশেষ করে নারীদের অধিকার ও সম্মানের ব্যাপারে ইসলাম গুরুত্বারোপ করেছে। নারীর আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ইসলাম তাকে উত্তরাধিকারের অধিকার প্রদান করেছে। বাবা-মায়ের সম্পত্তিতে মেয়ের নির্দিষ্ট অংশ রয়েছে। অর্থাৎ, তাদের মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া সম্পদের ওপর মেয়ের বৈধ অংশীদারত্ব রয়েছে, যা খর্ব বা লঙ্ঘন করার কোনো সুযোগ নেই।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনের সুরা নিসার ১১ নম্বর আয়াতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ‘তোমাদের সন্তানদের (সম্পদের অংশ) সম্পর্কে আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন—এক পুরুষের অংশ দুই নারীর অংশের সমান।’

এ ছাড়া একই সুরার ৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘পিতা-মাতা ও আত্মীয়স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদের অংশ রয়েছে এবং নারীদেরও অংশ রয়েছে—সে সম্পদ অল্প হোক কিংবা বেশি।’

এমনকি সুরা নিসার ১৯ নম্বর আয়াতে নারীদের অধিকার বা সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করা থেকে বিরত থাকার স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান সমাজে অনেক ক্ষেত্রেই মেয়েরা তাদের বৈধ উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। সমাজে এমন কিছু ভিত্তিহীন অপপ্রচার প্রচলিত রয়েছে, যেমন—‘মেয়েরা বাবার সম্পত্তির অংশ নিলে জীবনে উন্নতি হয় না’ কিংবা ‘অংশ নিলে ধ্বংস অনিবার্য।’ এসব ধারণা সম্পূর্ণ কাল্পনিক এবং ইসলামবিরোধী। আবার কোনো মেয়ে নিজের প্রাপ্য অধিকার চাইতে গেলে অনেক ক্ষেত্রে তাকে ‘লোভী’ তকমা পেতে হয়।

এভাবে নানা ভুল ধারণা প্রতিষ্ঠিত করে বহু মেয়েকে তাঁদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। অথচ এর মাধ্যমে কেবল কন্যা বা বোনের অধিকারই ক্ষুণ্ন করা হয় না, বরং আল্লাহ প্রদত্ত বিধানকেও অস্বীকার করা হয়—যা অত্যন্ত গর্হিত ও মারাত্মক গুনাহের কাজ।

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো মুসলিমের সম্পত্তি বা সম্পদ কেড়ে নেবে, কিয়ামতের দিন তাকে আল্লাহর সামনে জবাবদিহি করতে হবে এবং আল্লাহ তার বিচার করবেন।’ (সহিহ বুখারি: ২৪০৫)

ইসলাম নারীদের আর্থিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে, যাতে তারা নিজেদের প্রয়োজন ও নিরাপত্তা মেটাতে সক্ষম হয়। অথচ সামাজিক কুসংস্কার ও ভুল প্রথার কারণে অনেক নারী আজও তাঁদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মনে রাখা প্রয়োজন, আল্লাহ তাআলা বান্দার হক নষ্টকারীকে ততক্ষণ ক্ষমা করেন না, যতক্ষণ না সেই বান্দা নিজে ক্ষমা করে।

দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী। তাই এই সাময়িক জীবনের মোহে পড়ে অন্যের অধিকার নষ্ট না করে আল্লাহর বিধান মেনে চলাই আমাদের কর্তব্য। তবেই দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় জীবনেই শান্তি ও সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

সৌজন্যে আজকের পত্রিকা.কম

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com