জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক
স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারে বাধা ও মারধরের মামলায় চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসানুজ্জামান মানিককে জামিন দিয়েছেন আদালত। ১০ হাজার টাকা বন্ডে সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লস্কর সোহেল রানা তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। এ সময় পুলিশের চাওয়া সাত দিনের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে সদর আমলি আদালতে রিমান্ড ও জামিন শুনানি হয়। কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, সদর উপজেলার নতুন ভান্ডারদহ গ্রামে নির্বাচনী প্রচারের সময় গত ২৩ ডিসেম্বর রাতে নৌকা ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থীদের মধ্যে মারামারি এবং বাধার ঘটনা ঘটে। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী দিলীপ কুমারের পক্ষে আবদুল মালেক নামে একজন ২১ জনের নাম উল্লেখসহ ১২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন।
এ মামলায় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান মানিকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন চারজন জামিনে মুক্ত হন। তবে মানিকের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর রিমান্ড ও জামিন শুনানি হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই মামুন সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। তবে আদালতের বিচারক লস্কর সোহেল রানা রিমান্ড নামঞ্জুর করে ১০ হাজার টাকা বন্ডে জামিন দেন। পরে তিনি জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান।