1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিক সানোয়ার হাসান সুনু ও জগন্নাথপুর গ্রামবাসী কে  নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত  সুনামগঞ্জের জামালপুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, ১৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার ঢাকার তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন জগন্নাথপুরের সন্তান অধ্যক্ষ শহিদুল আলম এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম খাগড়াছড়িতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে না বোনকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা ভয়াবহ পাপ জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতা  সানোয়ার হাসান কে নিয়ে যুবদল নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা জানালো বিএনপি  কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে সম্মেলনের ঘোষণা জাতীয় ওলামা-মাশায়েখদের

কোরবানির মাংস কি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাওয়ানো যাবে

  • Update Time : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৭৩ Time View

কোরবানি ইসলামের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার মূল লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাকওয়া অর্জন। কোরবানির পর সেই মাংস দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান বা অলিমা বা অন্য কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে মেহমানদারি করা নিয়ে ইসলামি শরিয়তে কোনো বাধা নেই। তবে এখানে ‘নিয়ত’ বা উদ্দেশ্যের বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।

জায়েজ না নাজায়েজ

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি সম্পন্ন করার পর সেই মাংস নিজে খাওয়া, আত্মীয়স্বজনকে দেওয়া এবং অভাবগ্রস্তদের খাওয়ানো—সবই বৈধ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা তা থেকে খাও এবং অভাবগ্রস্ত দরিদ্রদেরও খাওয়াও।’ (সুরা আল-হজ: ২৮)।

সুতরাং, কোরবানির মাংস দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান বা অলিমার মেহমানদের আপ্যায়ন করা সম্পূর্ণ জায়েজ। এতে কোরবানির কোনো ক্ষতি হয় না।

নিয়ত ও উদ্দেশ্যের সতর্কতা

কোরবানি কবুল হওয়ার প্রধান শর্ত হলো বিশুদ্ধ নিয়ত। এ ক্ষেত্রে দুটি বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি:

১. আল্লাহর সন্তুষ্টি বনাম অনুষ্ঠান আয়োজন: যদি কারও মূল উদ্দেশ্য হয় বিয়ের অনুষ্ঠানের মাংসের চাহিদা মেটানো বা বাজার খরচ বাঁচানো, তবে সেই কোরবানি সহিহ হবে না। কোরবানি হতে হবে একমাত্র আল্লাহর জন্য। পশুর মাংস বা রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না, পৌঁছায় কেবল বান্দার ‘তাকওয়া’। (সুরা হজ: ৩৭)

২. এক অংশে দুটি নিয়ত নয়: যদি বড় পশুর (গরু বা মহিষ) একটি নির্দিষ্ট অংশে কেউ একই সঙ্গে কোরবানি ও অলিমার নিয়ত করেন, তবে তা সঠিক হবে না। বরং নিয়ম হলো সম্পূর্ণ অংশটি কোরবানির নিয়তেই জবাই করতে হবে। এরপর সেই কোরবানির মাংস দিয়ে আপনি চাইলে বিয়ে বা অলিমার মেহমানদারি করতে পারেন।

সারকথা হলো, কোরবানির মাংস দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান বা অলিমা করাতে কোনো ধর্মীয় বাধা নেই। তবে কোরবানি দেওয়ার সময় নিয়ত থাকতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। বিয়ের মাংসের প্রয়োজন মেটানো যেন কোরবানির মূল উদ্দেশ্যকে ছাপিয়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।

সৌজন্যে আজকের পত্রিকা

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com