জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় পূর্ণিমা দাস বন্যা (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রী এবং ইউসুফ আলী (৩০) নামে ব্যাটারিচালিত রিকশার এক চালক নিহত হয়েছেন। তাদের একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্যজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
নিহত পূর্ণিমা ওসমানীনগর উপজেলার দত্তগ্রামের বাচ্চু দাসের মেয়ে। তিনি মৌলভীবাজার নার্সিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ছিলেন। অপর দিকে চালক নিহতের ইউসুফ মোতিয়ার গাঁওয়ের নুরুল ইসলামের ছেলে।
জানা গেছে, গতকাল রবিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজার জেলা থেকে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার গোয়ালাবাজার এসে গোয়ালাবাজার সরকারি মহিলা কলেজের সামনে একটি লোকাল বাস তেকে নামাতে গিয়ে পা পিছলান কলেজ ছাত্রী পূর্ণিমা দাস। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল দেব। তিনি বলেন, ‘লোকাল বাস থেকে নামতে গিয়ে মেয়েটি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে বলে জেনেছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্ত বাসটি চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’
একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলার মোতিয়ারগাঁও কলারাই গ্রামীণ সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে চালক ইউসুফ আলী নিহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইউসুফ আলী যাত্রী নিয়ে মোতিয়ারগাঁওয়ে যান। যাত্রী নামিয়ে ঘুরানোর সময় রিকশা উল্টে সড়কের পাশে ধানী জমিতে পড়ে মারাত্মক আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় চিকিৎসালয়ে পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের আজ সোমবার বাদ আসর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
দুর্ঘটনায় ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়ালাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহিন মিয়া।