1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

জগন্নাথপুরে নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষনের জন্য দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ড্রাম আত্মসাতের অভিযোগ

  • Update Time : শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০২২
  • ৫৭৩ Time View
স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণের জন্য নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষনের জন্য একটি ওয়ার্ডের ৮০ টি ড্রাম আত্মসাৎ করার  অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সদস্য জাকির হোসেন লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন।
সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে খাদ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দরিদ্র অনগ্রসর ক্ষুদ্রনৃগোষ্টিও দূর্যোগ প্রবন এলাকার জনগোষ্ঠীর নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণের জন্য হাউস হোল্ডস সাইলো সরবরাহ প্রকল্পে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ছয় হাজার  ড্রাম বিতরণ করা হয় । ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে তাদের মাধ্যমে  তা বিতরণের কথা। আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ সদস্য জাকির হোসেন সাত মাস আগে তার ওয়ার্ডের  ৮০ জনের একটি তালিকা প্রেরণ করেন।  এক মাস আগে বিতরণ শেষ হয়।
জাকির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আশারকান্দি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের আশি জনের মধ্যে একজনও ড্রাম পায়নি।খোঁজ নিয়ে জানলাম খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা কে ম্যানেজ করে ড্রামগুলো ৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য আব্দুল তাহিদ ও ১,২,৩ নং ওয়ার্ড মহিলা সদস্য লজনু খানম  আত্মসাৎ করেন। বিষয়ে বার বার যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে কোন সদুত্তর না পেয়ে লিখিত অভিযোগ করেছি।
আশারকান্দি ইউনিয়নের তিলক গ্রামের দিনমজুর লিটন খান বলেন, আমার নাম তালিকায় থাকলেও আমি ড্রাম পাইনি।
৩ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল তাহিদ বলেন, আমি বিতরনের জন্য কোন ড্রাম পাইনি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সঠিক নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার দপ্তরে যোগাযোগ করে আমি কোন ড্রাম পাইনি।
আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আইয়ুব খান বলেন, তালিকায় নাম থাকলে ড্রাম পাওয়ার কথা। কেন পাননি খোঁজ নিয়ে দেখব।
জগন্নাথপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আব্দুর রব জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার জন্য ছয় হাজার ড্রাম বরাদ্দ আসে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে ড্রামগুলো হস্তান্তর করেছি। তারা বিতরণ করার কথা। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে  পদক্ষেপ নেওয়া  হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com