1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

জগন্নাথপুরে বন্যার মধ্যে কোলজুড়ে এলো ফুটফুটে সন্তান

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ৭৬৬ Time View

স্টাফ রিপোর্টার::

জন্মের সময় ঘরে হাঁটু পানি ছিল। এর কিছুক্ষণের মধ্যে পানি দ্রুত বাড়তে থাকে। নবজাতক সন্তান নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠেন মা ও বাবা। ঘটনাটি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার।

গতকাল বুধবার উপজেলা সদরের আব্দুস সামাদ আজাদ অডিটরিয়াম আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে নবজাতকের মা তানিয়া বেগমের (১৮) সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তানিয়া বলেন, ‘শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে আমার কোলজুড়ে আসে সন্তান। সন্তানের মুখ দেখে খুশি হলেও বন্যার ভয়াবহতায় দিশাহারা হয়ে পড়ি আমরা। ঘরে তখন হাঁটু সমান পানি ছিল। শিশুটি পৃথিবীর আলোর মুখ দেখার কিছুক্ষণ পর ঊরু সমান পানি হয়ে যায়। জীবন রক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে উঠি।’ তিনি জানান, গত ছয় দিন ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন। সন্তান জন্মের পর থেকে বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু সন্তান দুধ পাচ্ছে না। তবে সুস্থ আছে।

 

তানিয়া জানান, পৌর এলাকার জগন্নাথপুর এলাকার আফিজ উদ্দিনের মেয়ে তিনি। এক বছর আগে নেত্রকোনার মদন থানার জয়পাশা গ্রামের ইলিয়াস আলীর সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার আব্দুল রাইতের মালিকানাধীন একটি কলোনিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভাড়ায় বসবাস করছিলেন। তাঁর স্বামী শহরের দোকানের কর্মচারী।

আশ্রয় কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ফাহিম নামের এক যুবক। তিনি জানান, নবজাতক শিশু ও তার মা অপুষ্টিতে ভুগছেন। নৌকা না পাওয়া হাসপাতালে পাঠাতে পারেছি না। তবে চেষ্টা করছি। শিশুর বাবা দিনের বেলায় কর্মরত দোকানে কাজে থাকেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মধু সুধন ধর বলেন, এবিষয়ে আমার জানা নেই। স্বাস্হ্য কেন্দ্রে এলে আমরা ফি চিকিৎসা ও থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা নেব মা ও শিশু।

 

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com