স্টাফ রিপোর্টার; সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মানস রঞ্জন রায় ও তাঁর শিয্য অকাল প্রয়াত তানভীর আহমদ ইমু স্মরণে শুক্রবার জগন্নাথপুর উপজেলা উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর উদ্যোগে জগন্নাথপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গুরু- শিয্যের বিদায় শিরোনামে এক স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সতীশ গোস্বামীর সভাপতিত্বে ও উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুকিত এর পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শীলা রায়,বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উদীচীর সিলেট জেলা সংসদের সভাপতি কবি একে এম শেরাম,জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দাস জয়,সহ-সভাপতি প্রয়াত মানস রায়ের ছোটভাই মাধব রায়,উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সিলেট জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ধ্রæব গৌতম, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায়,জগন্নাথপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আফসর উদ্দিন ভূঁইয়া,কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অমিত দেব, শিক্ষক সালেহা পারভীন, সাংস্কৃতিককর্মী জয়দ্বীপ সূত্রধর বীরেন্দ্র, শশী কান্ত গোপ, আকমল হোসেন ভূঁইয়া,সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম,সাজন মিয়া। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দ্বিপক কুমার দেব। স্মরণ সভায় কবিতা আবৃত্তি করেন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর নাট্য বিভাগ সম্পাদক রনি রাজ, প্রয়াত মানস রায়ের মেয়ে শ্বাশতি রায়,নাতি অভিজিৎ রায় প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উদীচীর সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি শীলা রায় বলেন, উদীচী হচ্ছে গন মানুষের সংগঠন। তাই আমাদেরকে গণ মানুষের পক্ষে কাজ করতে হবে। উদীচীর জগন্নাথপুর উপজেলা শাখার সভাপতি প্রয়াত মানস রঞ্জন রায় ছিলেন গণ মানুষের নেতা ছিলেন। আর তাঁর শীয্য উদীচীর কর্মী তানভীর আহমদ ইমু সমাজ বদলের কর্মী হিসেবে গণমানুষের মন জয় করেছিল বলেই গুরু-শিয্যের এই বিদায় অনুষ্ঠানে জগন্নাথপুরের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষ তাঁদের কৃতকর্মের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেতে জড়ো হয়েছেন। তিনি বলেন,স্মরণসভায় তাদের প্রতি জগন্নাথপুরবাসীর ভালোবাসা প্রমান করে গনমানুষের পক্ষে কাজ করলে মানুষ তাদের কে মূল্যায়ন করে। তিনি উদীচী কর্মীদের মানস রায় পথ অনুসূরন করে ইমুরমতো কর্মী ঘরে ঘরে তৈরী করার আহŸান জানান।সভায় বক্তারা বলেন, মানস রায় ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী গনমানুষের কন্ঠস্বর আর ইমু ছিল তাঁর সম্ভাবনাময় উত্তরসূরী বলে অভিমত ব্যক্ত করে তাদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।
পরে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনায় স্মরণসঙ্গীত পরিবেশিত হয়। এছাড়াও গুরু-শিয্যের বিদায় সংকলনের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত হয়।
Leave a Reply