নিজস্ব প্রতিবেদক –
জগন্নাথপুর- বিশ্বনাথ রশিদপুর সড়কে ট্রাক আটকে চার ঘন্টা যানচলাচল বন্ধ ছিল। সংস্কার কাজে ধীরগতি সড়কের একপাশে গর্ত করে কাজ করায় প্রায়ই দুর্ঘটনায় বাস ট্রাক আটকে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। সড়ক দিয়ে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দারা বিভাগীয় শহর সিলেট ও রশিদপুর হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করেন।
এলাকাবাসী ও স্হানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায় জগন্নাথপুর- বিশ্বনাথ- রশিদপুর সড়কের ২৬ কিলোমিটার অংশ ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দে ২০১৭ সালে একযোগে কাজ শুরু হলেও জগন্নাথপুর উপজেলা অংশের ১৩ কিলোমিটারের কাজ নির্ধারিত সময় ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে শেষ হলেও বিশ্বনাথ অংশের কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। শাওন এন্টার প্রাইজ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ধীরগতিতে কাজ চালাচ্ছে।ফলে জগন্নাথপুর ও বিশ্বনাথ দুই উপজেলার লাখো মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জগন্নাথপুর পৌর এলাকার শেরপুর গ্রামের বাসিন্দা পত্রিকা বিক্রেতা নিকেশ বৈদ্য জানান সকাল আটটা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত মিয়ারবাজার এলাকায় ট্রাক আটকে যান চলাচল বন্ধ ছিল। তাই তিনি সময়মতো পত্রিকা নিয়ে আসতে পারেননি।এতে তার ক্ষতি হয়েছে। প্রায় দিনই গর্তে ট্রাক আটকে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
জগন্নাথপুর মিনিবাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভাপতি নিজামুল করিম বলেন, সংস্কার কাজে ধীরগতির কারণে প্রায় প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।
বিশ্বনাথ উপজেলার শ্রমিক নেতা ফজর আলী জানান, যেভাবে ধীরগতিতে কাজ হচ্ছে আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগে সড়কের কাজ শেষ হওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ধীরগতিতে কাজ করায় আমরা দুই উপজেলার শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্প্রতি অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজের গতি বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও কাজ হচ্ছে না।
বিশ্বনাথ উপজেলার স্হানীয় সরকার প্রকৌশলী আবু সাইদ বলেন, দ্রুত কাজ শেষ করতে ঠিকাদার কে বলা হয়েছে। সংস্কার কাজের জন্য কিছু দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।