1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার

জুলুম একটি কবিরা গুনাহ

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৮ Time View

জুলুম একটি কবিরা গুনাহ। জুলুমকারীদের জন্য আখেরাতে কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। তারা তাদের অপকর্মের জন্য ক্ষমা পাবেন না। যারা নিজেদের জুলুমকারী হিসেবে গর্ববোধ করেন, তারা প্রকৃতপক্ষে হতভাগ্য।

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমরা বলতে পার সবচেয়ে নিঃস্ব কে? সাহাবিরা বললেন, আমাদের মাঝে সবচেয়ে দরিদ্র সে-ই যার কোনো অর্থ ও উপকারী বস্তু নেই। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-  আমার উম্মতের সবচেয়ে গরিব এমন ব্যক্তি যে সালাত, সিয়াম ও জাকাতের নেকি নিয়ে কেয়ামতের মাঠে উপস্থিত হবে। অন্যদিকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা, সম্পদ ভক্ষণ করা, অপবাদ দেওয়া ও গালাগালি করার অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হবে। তখন তার নেকি থেকে তাদের পরিশোধ করা হবে।

তার নেকি শেষ হয়ে গেলে তাদের পাপ নিয়ে তার ওপর চাপানো হবে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে (মুসলিম, হা/৪৬৭৮; মিশকাত হা/৫১২৮)। অত্র হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, যে অত্যাচারে হক নষ্ট করা হয়, তা পাপের অন্তর্ভুক্ত। এটার দায় কেয়ামতের দিন নেকি দিয়ে পরিশোধ করতে হবে। হজরত আবু মুসা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেলেন : আল্লাহতায়ালা অত্যাচারীকে এক নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে থাকেন।
অবশেষে তাকে যখন পাকড়াও করেন তখন আর ছাড়েন না। অতঃপর তিনি এ আয়াতটি পাঠ করলেন তোমার প্রতিপালকের ধরা এরূপ যে যখন তিনি অত্যাচারী জনপদকে পাকড়াও করেন, তাঁর ধরা কঠিন (মুত্তাফাক আলাইহি, বুখারি হা/৪৩১৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৮৯৭)। হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- জুলুম কেয়ামতের দিন বহু অন্ধকারের কারণ হবে। (মুত্তাফাক আলাইহি, মিশকাত হা/৫১২৩)। 

হজরত ইবনে উমর (রা.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ছামুদ সম্প্রদায় ধ্বংস হওয়ার এলাকা পার হচ্ছিলেন তখন বললেন- তোমরা ওই সব লোকের বাসস্থানে প্রবেশ কর না যারা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করেছে।

তবে আল্লাহর কাছে ক্রন্দনরত অবস্থায় প্রবেশ করতে পার। কারণ তোমাদের ওপর ওই বিপদ আসতে পারে, যা তাদের ওপর এসেছিল। তারপর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তরবারি মাথায় করে ওই এলাকা দ্রুত পার হয়ে গেলেন (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত হা/৫১২৫)। 

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- কেউ কারও প্রতি যদি সম্মানের ব্যাপারে বা কোনো কিছুর ব্যাপারে অত্যাচার করে থাকে তাহলে আজকেই সে যেন তা সমাধা করে নেয়, ওই দিন আসার আগে যেদিন তার কাছে কোনো অর্থসম্পদ থাকবে না। ওই দিন সৎ আমল থাকলে অন্যায় পরিমাণ নিয়ে নেওয়া হবে। আর সৎ আমল না থাকলে তার পাপগুলো নিয়ে অপরাধীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে (বুখারি, মিশকাত হা/৫১২৬)।

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- কেয়ামতের দিন সবার হক আদায় করা হবে, এমনকি শিংবিহীন ছাগলকে শিং প্রদান করে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১২৮)। হজরত সাঈদ ইবনে যায়েদ (রা.) বলেন, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- যে ব্যক্তি অত্যাচার করে অর্ধহাত জমিন দখল করেছে, নিশ্চয়ই কেয়ামতের দিন অনুরূপ সাতটি জমিন তার কাঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত হা/২৯৩৮)।

সৌজন্যে বাংলাদেশ প্রতিদিন

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com