1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

তাহিরপুরে সাবিক হত্যা, লাশ তইয়া আসামীদের ছাড়লো কেন পুলিশ?

  • Update Time : রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২০৭ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

তাহিরপুরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সাকিবকে হাত-পা ভেঙে, নখ উপড়ে হত্যা করার পর লাশ নিতে এসে পুলিশ খুনীদের কেন গ্রেপ্তার করলো না? এই প্রশ্ন রেখে সাকিবের বাবা মুজিবুর রহমান বলেছেন, ‘আমার ছেলের মরা লাশ সামনে তইয়া (রাখা) বাসায় থাকা আসামীদের কেন ছাড়লো পুলিশ।’ তিনি জানালেন, সিলেটের ওসমানী মেডিকেলের টেবিলে গিয়ে বীভৎস অবস্থায় ছেলের লাশ দেখে, চাদর দিয়ে ডেকে তিনি সিলেটের কতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে গিয়েছেন। এর আগে পর্যন্ত কোন পুলিশি অ্যাকশন ছিল না।
সাকিবের বাবার এই মন্তব্য শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ওসি ইফতেকার হোসেন এমন মন্তব্যের জবাবে এই প্রতিবেদককে বলেছেন, পুলিশ লাশ নিয়ে আসে নি। গুরুতর আহত সাকিবকে স্থানীয় কয়েকজন প্রথমে তাহিরপুর হাসাপাতালে নিয়ে আসে।
ওসি বলেন. ‘পুলিশ ওখানে গিয়ে যাদের পেয়েছে, তারা সবাই একই ধরণের মন্তব্য করেছে। পরে যাচাইয়ে বা তদন্তকালে বুঝা গেছে, এরা সকলেই মোশারফ হোসেনের পক্ষের লোকজন। সেখানে গিয়ে পুলিশ প্রথমে যা শুনেছে, সেটি জানতে চেষ্টা করেছে। সকলেই তখন বলেছে, ছেলেটি গণপিটুনিতে মারা গেছে। একপর্যায়ে পুলিশ বিষয়টি গভীরভাবে যাচাই করেছে, তখন বিষয়টি ওঠে এসেছে যে এরা একপক্ষের লোক। ততক্ষণে কৌশলে এরা সরে গেছে।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাহিরপুরের ঘাগটিয়া গ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তি মোশাররফের লোকজন একই গ্রামের মুজিবুর মিয়ার ছেলে সাকিব রহমানকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। পূর্বশত্রুতার জেরে সেখানে সাকিবকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে ও নখ উপড়ে হত্যা করে। ছেলেকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে শুনে বাবা ছুটে যান মোশাররফের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে দেখতে পান সবাই মিলে ছেলে সাকিব কে মারপিট করছে। ছেলেকে বাঁচাতে বাবা প্রাণ ভিক্ষা চাইলেন। এতেও মন গলেনি খুনীদের। শেষে মুজিবুর রহমানকেও মারপিট শুরু করে তারা। একপর্যায়ে বাড়ির টিনের বেড়া (প্রাচীর) ভেঙে পালিয়ে রক্ষা পান বাবা। তবে ছেলের শেষ রক্ষা হয় নি। সারারাত নির্যাতন করে চার হাত-পা ভেঙে সাকিবকে হত্যা করা হয়। পরদিন ওসমানী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে গিয়ে ছেলের বীভৎস মরদেহ দেখতে পান বাবা।
ঘটনার পরে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) রাতে তাহিরপুর থানায় ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহত সাকিবের বাবা মজিবুর রহমান। কিন্তু শনিবার পর্যন্ত মামলার কোন আসামীই গ্রেপ্তার হয় নি।
তাহিরপুর থানার ওসি ইফতেকার হোসেন শনিবার বিকেলে দাবি করেছেন, ঘটনায় জড়িত বুলবুল আহমদ (৫৫) নামের একজনকে শনিবার সকালে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের নানা চেষ্টা হচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তাহিরপুর থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা গ্রাম থেকে শুক্রবার মধ্যরাতে বুলবুল আহমদকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার সকালে আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com