1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

ধর্মপাশায় বিএনপি নেতার জিম্মায় আ.লীগ নেতাকে ছাড়লেন ওসি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫
  • ৩৯ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

ধর্মপাশায় ডেভিল হান্ট অভিযানে গ্রেফতারের পর নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে দুলা মিয়া নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছেড়ে দিয়েছেন ওসি মোহম্মদ এনামুল হক। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ বাজারের হানিফ মিয়ার চায়ের দোকানের পেছন থেকে দুলাকে গ্রেফতার করা হয়।  পরে থানায় নিয়ে আসার পর রাত ২টার দিকে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে দুলাকে সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সোনা মিয়ার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। সোনা মিয়া দুলার আপন বড় ভাই। দুলাকে গ্রেফতারের পর ছেড়ে দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।
দুলা মিয়া এক সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বলয়ে যুবলীগ এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। পরে রতনের বিরোধী বলয় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ মুরাদের সাথে রাজনীতি করেন। ২০২২ সালের ১ মে দুলা মিয়া তার ফেসবুক আইডিডে সেলবরষ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লেখা সম্বলিত একটি পোস্টার পোস্ট করেছিলেন দুলা। এ পোস্টারের স্ক্রিন শর্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে। আর এ পোস্টারের সূত্র ধরে ডেভিল হান্ট অভিযানের মাধ্যমে দুলাকে গ্রেফতার করা হয়।
দুলা মিয়া বলেন, ওই পোস্টার আমার মেয়ের জামাই পোস্ট করেছিল। ১২/১৩ সালে ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটি সভাপতি হিসেবে আমার নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু সেই কমিটি অনুমোদন হয়নি। পরে রতন এমপির সাথে বিরোধীতার সময় বিরোধীতার খাতিরে আমাকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হয়। এসব কমিটির কোনো ভ্যালু ও অনুমোদন নাই।
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সোনা মিয়া বলেন, প্রথমে বলা হয়েছিল তাকে ছাড়া হবে না। পরে দুলা অসুস্থ হয়ে পড়লে আমার কাছ থেকে মুচলেকা রেখে তাকে ছেড়ে দেওয়া।
উপজেলা বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দুলা ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এলাকায় বিভিন্ন অন্যায় ও সাধারণ মানুষকে অত্যাচার করেছে। কিন্তু গ্রেফতারের পর পুলিশ ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ এনামুল হক, দুলা মিয়া অসুস্থ, হার্টের রোগী এবং আমাদের কাছে তার কোনো ডকুমেন্টস নাই। সে (দুলা) দলীয় কমিটিতে কোনো পদে নাই। থানায় নিয়ে আসার পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার বড় ভাই সোনা মিয়াকে তার জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে না থাকার পরেও কিসের ওপর ভিত্তি করে তাকে (দুলা) গ্রেফতার করা হলো?— এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, একটি ব্যানারের ওপর ভিত্তি করে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ধর্মপাশা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আলী ফরিদ আহমেদ বলেন, তার একটি প্রতিপক্ষ জানিয়েছিল সে যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বড় নেতা। পরে যাচাই বাছাই করে দেখা যায় কোনো কমিটিতে তার নাম নাই এবং সে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com