1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

পাষান্ড পিতা হত্যা করল ২৫ দিনের শিশুকে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫
  • ৫২৪ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক ::
২৫ দিনের শিশু পুত্রকে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাততলা থেকে ফেলে হত্যার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বাবা ফজল হক।

হাসপাতালে শিশুটির চিকিৎসা বাবদ আড়াই লাখ টাকা দেনার দায় থেকে মুক্তি পেতে পাষণ্ড বাবা এ পথ বেছে নেয় বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সাভার মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান এ কথা জানান।

তিনি জানান, জন্মের ৪ দিনের মাথায় অসুস্থ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন বাবা। এর পর থেকে টানা ২১ দিন চিকিৎসা চলে নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। এতে সুস্থও হয় শিশুটি। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ২১ দিনের চিকিৎসার বিল দিতে হবে প্রায় আড়াই লাখ টাকা। গাড়িচালক বাবা ওই পরিমাণ টাকা হাসপাতালে পরিশোধ করতে পারছিলেন না। আর এ দায় থেকে মুক্তি পেতে নিজ হাতেই ২৫ দিনের সন্তানকে হাসপতালের ৭ তলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে হত্যা করেন বাবা।

ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আজিম বলেন, দেনার দায় থেকে মুক্ত হওয়ার জন্যই ফজলুল হক তার ছেলের সঙ্গে এ নিষ্ঠুরতার পথ বেছে নেয়। পৃথিবীর আলো দেখার আগেই ছেলেকে মৃত্যুর কোলে পাঠিয়ে দিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে শিশুটির বাবা এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছেন।
এর আগে, সোমবার ওই নবজাতকের লাশ হাসপাতালটির পাশের ভবনের চারতলা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় জড়িত সন্দেহে তার বাবা ও এক আত্মীয়কে আটক করা হয়। পরে শিশুটির নানা নুরুল ইসলামের করা হত্যা মামলায় আটক দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এনাম মেডিকেল কর্তৃপক্ষ জানায়, অসুস্থতার কারণে ৬ জুলাই চার দিন বয়সের শিশুপুত্রকে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে হাসপাতালটির নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে টানা ১৫ দিন শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি হলে গত বুধবার ওই নবজাতককে সাততলার ৭১৬ নম্বর কেবিনে নেয়া হয়। রবিবার রাতে নবজাতকের সঙ্গে ওই কেবিনে ছিলেন বাবা ফজল হক, বাকপ্রতিবন্ধী মা নুরুন্নাহার ও নুরুন্নাহারের ফুফু জবেদা বেগম।

২ জুলাই সাভারেরস্থানীয় একটি হাসপাতালে জন্ম হয় শিশুটির। জন্মের পর থেকেই তার শরীরের রক্তে জীবাণুর সংক্রমণ ও মারাত্মক নিউমোনিয়া দেখা যায়। টানা ২১ দিন চিকিৎসার পর শিশু আব্দুল্লাহর শরীরের অবস্থার উন্নতি হয়।

এতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসাবাবদ প্রায় আড়াই লাখ টাকা বিল করেন।পরে গত ২৬ জুলাই রোববার শিশুটি সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতালের ছাড়পত্র দেয়া হয়। সেদিন রাতে শিশুটিকে সাথে নিয়ে সবাই ঘুমিয়ে পড়েন।
কিন্তু ঘুমাতে পারেনি শিশুটির বাবা ফজলুল হক। সকাল হলেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আড়াই লাখ টাকা বিল পরিশোধ করে ছেলেকে নিয়ে যেতে হবে। আবার শিশুটিকে বাড়ি নিয়ে গেলেও রক্তে জীবাণুর সংক্রমণ ও মারাত্মক নিউমোনিয়া থেকে তার ছেলে কতদিন রক্ষা করতে পারবেন এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তিনি।

এ দুশ্চিন্তা থেকে একপর্যায়ে কোনো উপায় না পেয়ে সকল দেনার হাত থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ফজলুল হক তার ছেলেকে নিজেই সাত তলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে হত্যা করেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com