1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

পিএসসিতে স্কুলসেরা ফলাফল করে অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ৬৫ বছরের বাছিরন নেছা

  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ৩৩৪ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক::

জিপিএ ৩ নিয়ে বিদ্যালয়সেরা হয়েই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) কৃতকার্য হলেন ৬৫ বছর বয়সী বাছিরন নেছা। তিনিই এ বছর পিইসি পরীক্ষার সবচেয়ে বেশি বয়সী পরীক্ষার্থী ছিলেন। তার এ ফলাফলে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সদস্য সেলিনা আক্তার বানু মিষ্টি খাইয়ে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

কৃতকার্যতার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বাছিরন নেছা বলেন, ‘আমার জীবনের স্বপ্ন ছিল লেখাপড়া শেখা। এর মধ্য দিয়ে স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপ পার করেছি। এখন আমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়তে চাই।’

এ সময় এমপি সেলিনা আক্তার বানু বলেন, ‘এ বয়সে এসে বাছিরন নেছার লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে।’ এ সময় তিনি বাসিরন নেছার জরাজীর্ণ বিদ্যালয়টির জন্য নতুন ভবন নির্মাণেরও আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে বাছিরন নেছার এ কৃতকার্যতায় হোগলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দীন ও সহকারী শিক্ষিকা আনারকলি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। আর ভবিষ্যতে তার লেখাপড়ার দায়িত্ব নেয়ার কথা জানান, মটমুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোহেল আহমেদ।

গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া মাঠপাড়া এলাকার মৃত রহিল উদ্দীনের স্ত্রী তিন সন্তানের জননী বাসিরন নেছা হোগলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এ বছর প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেন।

প্রধান শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বৃদ্ধ বয়স দেখে প্রথমে তাকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করিনি। ভেবেছিলাম শিশুদের পরিবেশ নষ্ট হবে। পরে দ্বিতীয়বার তার আগ্রহ দেখে তাকে ভর্তি করা হয়। এখন তিনি এ বিদ্যালয়ের গৌরব।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com