1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতা  সানোয়ার হাসান কে নিয়ে যুবদল নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের নিন্দা জানালো বিএনপি  কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে সম্মেলনের ঘোষণা জাতীয় ওলামা-মাশায়েখদের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই: ইসি সচিব জগন্নাথপুরের হাসপাতালে গরমজনিত রোগীর ঢল: লোডশেডিংয়েও জেনারেটরের সুফল থেকে বঞ্চিত রোগীরা প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালু দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে বিদেশ, ক্ষোভে ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দিল বাড়ি জগন্নাথপুরে লোডশেডিং, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ অর্ধেকেরও কম গ্রাম থেকে জাতীয় মাঠে: দিরাইয়ের দুই কিশোরের রূপকথা অন্যায়ের প্রতিবাদে কল্যাণকামিতা জরুরি জগন্নাথপুরে নৌকাডুবিতে নিহত ৪ পরিবারের পাশে জামায়াত

প্যারাসিটামল সিরাপে প্রাণঘাতী-২২ বছর আগে দায়ের করা দুটি মামলার ছয় কর্মকর্তাকে জেল জরিমানা

  • Update Time : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৫
  • ৪০৫ Time View

প্যারাসিটামল সিরাপে প্রাণঘাতী বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি থাকার অভিযোগে ২২ বছর আগে দায়ের করা দুটি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার আদালত বিসিআই (বাংলাদেশ) লিমিটেডের অভিযুক্ত ছয় কর্মকর্তাকে জেল জরিমানা করেছেন।

আজ ঢাকার ড্রাগ আদালতের বিচারক মো. আতোয়ার রহমান মামলা দুটির রায় ঘোষণা করেন। উভয় মামলার রায়েই মামলার প্রত্যেক আসামিকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই লাখ টাকা করে আর্থিক দণ্ড করা হয়েছে। আর আর্থিক দণ্ড প্রদানে ব্যর্থ হলে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

১৯৯২ সালের ১৮ নভেম্বর ওষুধ প্রশাসনের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক আবুল খায়ের চৌধুরী বাদী হয়ে ১৯৮২ সালের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ আইনে বিসিআইয়ের ওই ছয় কর্মকর্তাকে আসামি করে দুটি মামলা করেন। মামলায় ওই কোম্পানির বাজারজাত করা প্যারাসিটামল সিরাপে প্রাণঘাতী বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি রয়েছে মর্মে অভিযোগ করা হয়।
বিসিআইয়ের প্যারাসিটামল সিরাপ দুটি ব্যাচ নম্বরে থাকায় একই আইনে একই আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেন তত্ত্বাবধায়ক।
ওই দুই মামলায় দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন বিসিআই এর পরিচালক মো. শাহজাহান সরকার, উৎপাদন ব্যবস্থাপক এমতাজুল হক, মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপক আয়েশা খাতুন, নির্বাহী পরিচালক এ এস এম বদরুজ্জোদা চৌধুরী, পরিচালক সামসুল হক ও পরিচালক নুরুন্নাহার।

রায় ঘোষণার সময় শাহজাহান সরকার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকি পাঁচ আসামি পলাতক। তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার সরকার পক্ষের আইনজীবী ও বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি মো. নাদিম মিয়া বলেন, ১৯৯২ সালে মামলাটি করা হলেও আসামিদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতে নির্দেশে মামলার কার্যক্রম প্রায় দুই দশক ধরে স্থগিত ছিল। ২০১১ সালে উচ্চ আদালতের স্থগিত আদেশ প্রত্যাহারের পর মামলার বিচারিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়।

নাদিম মিয়া আরও বলেন, আদালতে ড্রাগ পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। ‘প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওষুধে বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদানের উপস্থিতি রয়েছে, যা খেলে শিশুদের মৃত্যু হতে পারে।’ এ ছাড়াও তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আজ বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নাদিম মিয়া আরও বলেন, ‘১৯৮২ সালের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ আইনে করা ওই দুটি মামলায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন। দুই দশকের বেশি সময় পর হলেও আমরা এ রায়ে খুশি। ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারীরা দেশ ও জনগণের শত্রু। তাঁদের রুখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com