1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

প্রেমিকার ভয়ঙ্কর কান্ড/ টাকা না দিলেই ছড়িয়ে দেওয়া হয় আপত্তিকর ভিডিও

  • Update Time : শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪
  • ১২১ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথমে অপরিচিত নারীর সাথে পরিচয়। তারপর বার্তা আদান প্রদান ও ভাব বিনিময়। এক সময় এ সম্পর্ক গড়ায় প্রণয়ে। শুরু হয় ভিডিও কলে যোগাযোগ। কিছুদিন যেতেই ভিডিও কলের মাধ্যমে কৌশলে সেই নারী ওই পুরুষকে বিবস্ত্র করে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করার পাশাপাশি তার (পুরুষ) আইডি—পাসওয়ার্ড চেয়ে নেয়। তারপরই ভয়ংকর হয়ে ওঠে সেই নারী। পুরুষকে সেই ভিডিও পাঠিয়ে দাবি করে মোটা অংকের টাকা। তখন বিব্রতকর ও অসহায় অবস্থায় পড়ে যায় সেই পুরুষ। কোনো উপায় না দেখে ওই নারীর চাহিদা অনুযায়ী টাকা পাঠিয়ে দিলেই কিছু দিনের জন্য মিলবে স্বস্তি। কিছুদিন পর আবারও দাবি করা হয় টাকা। তখন বাধ্য হয়ে আবারও টাকা পাঠাতে হয়। আর টাকা দিতে ব্যর্থ হলেই পুরুষের ধারণকৃত সেই আপত্তিকর ভিডিও ওই নারী অনলাইনে (ম্যাসেঞ্জার, হ্যোয়াটঅ্যাপ, ইম্যু) ছড়িয়ে দেয় ভুক্তভোগীর পরিবার পরিজনসহ পরিচিত জনদের মাঝে। সম্প্রতি ধর্মপাশায় রাজনীতিবিদ, ঠিকাদার, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার অন্তত ৬ জন ব্যক্তি এভাবে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন।

কয়েকজন ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এসব ঘটনা কয়েক বছর আগের। শুরুতেই মোটা অংকের টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। নতুন করে টাকা না দেওয়ায় সম্প্রতি ভিডিওগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই লোক লজ্জার ভয়ে শুরুতে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। কিন্তু কেউ কেউ আবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা বলছেন, স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারে অদক্ষতা এবং অপব্যবহার, নৈতিক স্কলন, একাকিত্বসহ বিভিন্ন কারণে এসব অপরাধের শিকার হচ্ছেন কেউ কেউ। এতে ভুক্তভোগীর পাশাপাশি তার পরিবার পরিজন, আত্মীয়স্বজন, উঠতি বয়সের তরুণ ও সামাজিকতার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এদিকে যাতে কেউ নতুন করে এমন প্রতারণার শিকার না হয় সেজন্য স্থানীয়রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিজের কৃতকর্মের জন্য দুঃখও প্রকাশ করে একজন ভুক্তভোগী বলেন, এভাবে ফাঁদে পা দেওয়া ঠিক হয়নি। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়ে মানসিভাবে মারাত্মক ভেঙে পড়েছি। আইনী পদক্ষেপ নেওয়া যায় কি না ভাবছি।

আরেকজন ভুক্তভোগী বলেন, ওই নারী মনে করেছিল আমি অনেক ধনী। তাকে কয়েকববার টাকা দিয়েছি। কিন্তু আমার আর্থিক দুরাবস্থার কথা জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। পরে অনেকবার বুঝানোর পর ওই নারী আমার পিছু ছাড়ে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকমীর্ শহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে এসব ঘটনার শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। এক্ষেত্রে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহারে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।

এখন পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী ধর্মপাশা থানায় কোনো অভিযোগ করেনি জানিয়ে ধর্মপাশা থানার ওসি মো. শামসুদ্দোহা বলেন, সাইবার ট্র্যাইবুনালে মামলা করে ভুক্তভোগী আইনী প্রতিকার পেতে পারেন। তবে সকলের সচেতনতাই এ থেকে মুক্তি দিতে পারে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com