1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক বিএনপি নেতা নান্নু’র পিতার মৃত্যুতে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির শোক গাড়ির ভেতর থেকে পুলিশের মাথায় কোপ, দুজন কারাগারে ধর্মপাশায় বিলের পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু জীবন ও সময় যেভাবে বরকতময় হয় জগন্নাথপুরে নৌকাডুবিতে নিহতদের পরিবারের পাশে সম্ভাব্য মেয়রপ্রার্থী সুজাতুর রেজা এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ সোমবার সকাল ১০টায়, যেভাবে জানা যাবে

জগন্নাথপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বন্ধে যাচাই বাছাইয়ে বাদ পড়লেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্য

  • Update Time : রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৩৪৬ Time View

স্টাফ রিপোর্টার: স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিরোধ থাকায় মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাই কমিটিতে প্রতিহিংসা ও অবিচারের শিকার হয়ে যাচাই বাছাই কমিটি থেকে বাদ পড়লেন জগন্নাথপুর উপজেলার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্য। যাচাই বাছাই কমিটিতে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্য স্থানীয় সাংবাদিকদের নিকট লিখিত অভিযোগ করে জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ১৯৭১ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়াদিয়ে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করি। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের জোয়াই শহরের নিকটবর্তী ‘ই.কো.১ প্রশিক্ষন কেন্দ্রে প্রশিক্ষন করে ৫নং সেক্টরের আওতায় তামাবিল (ডাউকি) সাব সেক্টরে সাব সেক্টর কমান্ডার সুবেদার মেজর বি.আর,চৌধুরী ও কমান্ডার সুবেদার আব্দুল মতিনের নের্তৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেই। দেশ স্বাধীনের পর সিলেট সালিটুকের এলাকায় কচুয়ারপাড় নামক স্থানে অস্ত্র জমাদিয়ে সনদ গ্রহন করি। পরে মুক্তিযুদ্ধাদের সংঘটিত করে জগন্নাথপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ গঠন করে দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করি। ২০১০ সালে উপজেলা কমান্ডে সহকারী কমান্ডার সাংগঠনিক এবং ২০১৪ সালে জেলা ইউনিট কমান্ড সুনামগঞ্জ নির্বাচনে কে.বি রশিদ প্যানেলে সহকারী কমান্ডার তথ্য ও গবেষনা পদে অংশ নেই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ২০১০ সালে জগন্নাথপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল কাইয়ুম প্যানেলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্ধীতা করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর থেকে আমার সাথে বিরোধীতা দেখা দেয়। বিভিন্ন সময় কমান্ডার আব্দুল কাইয়ুমের অনিয়মের কথা তুলে ধরলে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করা হয়। এক পর্যায়ে আমার মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বন্ধের আবেদন করা হয়। বিষয়টি আমি লিখিতভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করি। আমার মুক্তিবার্তা নং ০৫০২০৩০১১৯ সংশোধিত, গেজেট নং ২৫৫৪,জাতীয় তালিকা নং-০৯,ভোটার সূচক নং ৯০-৪৭-৩৮-০০৯,ভারতের প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ধানাওয়ারী খসড়া তালিকা নং ৩৬৩২৮ সাব সেক্টর তামাবিল ডাউকি যোদ্ধাকালীন রেজিমেন্ট নং ০৬৩৫ মুক্তি ডাটা বেইস নং ৭০৩০৪০০৮৩ মুক্তিযোদ্ধা নির্বাচন ২০১০/২০১৪ ভোটার তালিকা নং-০৫ থাকা স্বত্বেও গত ১১ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা যাছাই বাছাই কমিটিতে উপস্থিত হয়ে যাচাই বাছাইযের তথ্য সম্বলিত নির্দেশিকা অনুযায়ী ফরম পূরন করে তথ্য প্রদান সহ একসাথে ভারতের ইকো ওয়ান ট্রেনিং সেন্টারের প্রশিক্ষন ও একসাথে যুদ্ধের মাঠে স্বশস্ত্র সন্মুখযুদ্ধে অংশ নেয়া আমার প্লাটুন কমান্ডার লাল মুক্তিবার্তায় অর্ন্তভূক্ত তিনজন সাথী মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষী এবং সাব সেক্টর ও সেক্টর কমান্ডারের দালিলিক প্রমানসহ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের সাময়িক সনদপত্র উপস্থাপন করি। তারপরও সম্পূর্ন প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির যাচাই বাছাই কমিটিতে আমাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চিনেন না বলে দাবি জানিয়ে প্রভাব খাটিয়ে যাচাই বাছাইয়ে আমাকে বাদ দেন। মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্য সাংবাদিকদের জানান, দেশ স্বাধীনের পর পর জেলা ইউনিট কমান্ড থেকে আমাকে জগন্নাথপুর উপজেলার সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়। সেই থেকে আজ অবধি সক্রিয়ভাবে জগন্নাথপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছি। একাধিকবার জাতীয় বিভিন্ন দিবসে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। তারপরও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমাকে চিনে না এরচেয়ে দুঃখ কি আর হতে পারে। অথচ কোন কাগজপত্র সাক্ষী না থাকা স্বত্বেও তিনি অনেককে মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ে বৈধতা দিয়েছেন। তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসক সুনামগঞ্জকে লিখিত জানিয়ে যাচাই বাছাই কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করবেন বলে জানান।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্যেকে যাচাই বাছাইয়ে বাদ দেয়া প্রসঙ্গে বলেন, যাচাই বাছাই কমিটির সদস্যরা তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ায় তাকে অর্šÍভূক্ত করা যায়নি। তিনি অবশ্যই আপীল করতে পারবেন।
উল্লেখ্য মুক্তিযোদ্ধা রসরাজ বৈদ্যের দুই ছেলে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারী চাকুরী করছেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি জগন্নাথপুরে সুপরিচিত হিসেবে সামাজিক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com