1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

মুসলিম শিক্ষার্থী এবং বৈষম্য

  • Update Time : সোমবার, ২৮ জুন, ২০২১
  • ৪৫১ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
উচ্চারণ ভুল বুঝে ১১ বছর বয়সী এক মুসলিম স্কুলপড়ুয়া বালককে সন্ত্রাসবিরোধী পর্যবেক্ষক ‘প্রিভেন্ট’ এর হাতে তুলে দিয়েছিলেন বৃটেনের এক শিক্ষক। বিষয়টি এখন প্রকাশ হওয়ায় ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন। উল্লেখ্য ওই বালক ক্লাসে বলেছিল, সে দাতব্য সংস্থাগুলোতে অনুদান দিতে চায়, যাতে অভাবীদের সাহায্য করা যায়। ইংরেজিতে সে সাহায্য দেয়াকে ‘আমজ’ (Alms) হিসেবে অভিহিত করেছিল। কিন্তু তার শ্রেণি শিক্ষক সেটাকে ‘আর্মস’ বা অস্ত্র বুঝেছিলেন। ফলে তিনি সন্ত্রাস বিরোধী পর্যবেক্ষকদের হাতে তুলে দেন ওই শিক্ষার্থীকে। এ জন্য ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুলটির বিরুদ্ধে আইনগত চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ওই শিক্ষক ক্লাসে জানতে চান- যদি শিক্ষার্থীদেরকে প্রচুর অর্থ দেয়া হয় তাহলে তা দিয়ে তারা কি করবে।
প্রাইমারিতে পড়া ওই শিক্ষার্থী এর জবাবে অসহায়দের সাহায্যের জন্য ‘আমজ’ শব্দটি ব্যবহার করে। এই শিক্ষার্থীকে তার পরিবার খুবই বুদ্ধিমান এবং ব্যাপক পড়াশোনা করা মেধাবী বলে বর্ণনা করেছে। সে প্রাগৈতিহাসিক ইতিহাসের বিষয়ে খুব বেশি আগ্রহী। জবাবে সে জানায়- প্রচুর অর্থ থাকলে সে নির্যাতিতদেরকে সাহায্য (আমজ) করবে। এমন সাহায্য হিসেবে অতীতে ধর্মপ্রাণ মানুষরা গরিবদেরকে সাহায্য করতেন। তাদেরকে সাহায্য হিসেবে দিতেন খাবার, পোশাক অথবা অর্থ।

তাকে সন্ত্রাস বিরোধী পর্যবেক্ষকদের কাছে তুলে দেয়ার পর পুলিশ কোনো তথ্য না পেয়ে, উগ্রপন্থা বা কট্টরপন্থা বা জাতীয় নিরাপত্তায় কোনো হুমকির বিষয়ে কোনোই প্রমাণ না পেয়ে ঘটনাটিকে ডিশমিশ করে দিয়েছে। হয়রানির শিকার অভিভাবকরা এখন ওই স্কুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে। তাতে লিখিতভাবে মাফ চাইতে বলা হয়েছে। ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। তাদের আরো অভিযোগ, যে শিক্ষক তাদের সন্তানকে ‘প্রিভেন্ট’-এর কাছে তুলে দিয়েছেন তিনি সমতা বিষয়ক ইক্যুয়ালিটি অ্যাক্ট ২০১০ ভঙ্গ করেছেন।
সৌজন্যে মানব জমিন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com