জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
দেশের চারটি প্রতিষ্ঠান পণ্য রপ্তানির আড়ালে ২৮২ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এশিয়া ট্রেডিং করপোরেশন, ইমো ট্রেডিং কম্পানি, সাবিহা সাইকি ফ্যাশন, ইলহাম প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান এক হাজার ৭৮০টি চালানের বিপরীতে বিপুল অঙ্কের এ অর্থ পাচার করে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফখরুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
ফখরুল আলম বলেন, রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশ পণ্য রপ্তানি করছে। কিন্তু রপ্তানি মূল্য (বৈদেশিক মুদ্রা) দেশে আনেনি। এমন অভিযোগে চট্টগ্রামে উত্তর পতেঙ্গায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। রপ্তানিকারকদের ঘোষণা অনুযায়ী এই অর্থের পরিমাণ ৩৮২ কোটি টাকা। তবে প্রকৃতপক্ষে টাকার পরিমাণ আরো বেশি হতে পারে। কারণ যদি অর্থপাচারের উদ্দেশ্যেই এটা করা হয়ে থাকে, তাহলে অর্থ কমিয়েই এসব পণ্যের মূল্য ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঢাকার কাকরাইলের ঠিকানায় নিবন্ধনকৃত এশিয়া ট্রেডিং করপোরেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান এক হাজার ৩৮২টি রপ্তানি পণ্যের চালান বিদেশে রপ্তানি করেছে। পণ্যের পরিমাণ ছিল ১৪ হাজার ৮৫ মেট্রিক টন। এর মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে ২৮২ কোটি টাকা। পণ্যগুলো আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, কাতার ও যুক্তরাজ্যের বাজারে রপ্তানি হয়েছে।
এ ছাড়া রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার জব্বার মার্কেটের একটি প্রতিষ্ঠান ইমো ট্রেডিং কম্পানি ২৭৩টি চালান বিদেশে রপ্তানি করেছে। পণ্যের পরিমাণ ২৫২৩ টন এবং টাকা পাচারের পরিমাণ ৬২ কোটি টাকা। আরেক প্রতিষ্ঠান সাবিহা সাইকি ফ্যাশন ৮৬টি চালান বিদেশে রপ্তানি করেছে। পণ্যের পরিমাণ ৯৯৭ টন এবং এর মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে ১৮ কোটি টাকা। উত্তরার ঠিকানায় নিবন্ধন করা আরেক প্রতিষ্ঠান ইলহাম ৩৯টি চালানে ৬৬০ টন পণ্য রপ্তানি করলে ১৭ কোটি টাকা দেশে আনেনি।
ফখরুল আলম বলেন, এই চার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান লিমাক্স শিপার্স লিমিটেড নামে একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের জোগসাজশে বিল অব এক্সপোর্টে অন্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের ইএক্সপি এবং ভুয়া সেলস কন্ট্রাক্ট ব্যবহার করেছে।
সুত্র কালের কণ্ঠ