1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিদ্যুৎ সংকট কমবে কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুরে র‍্যালি ও আলোচনাসভা ​ জ্বালানি সংকট উত্তরণে সংসদে বিরোধী দলের ৪ প্রস্তাব, সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বাড়িতে মিললো যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ সত্য প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও শিষ্টাচারের গুরুত্ব ১০ বার ডেকেও আসেননি নার্স! জগন্নাথপুর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের কঠোর সতর্কবার্তা দিল হাইকমিশন

রাধারমন দত্ত কমপ্লেক্সেের জায়গা নির্ধারণের সাত বছর পরও নির্মাণ কাজ শুরু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ সংস্কৃতিককর্মীরা‌

  • Update Time : শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২
  • ৪০৪ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি – লোককবি রাধারমণ দত্ত পুরকায়স্থের স্মৃতি বিজড়িত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামে রাধারমন দত্ত কমপ্লেক্সের জায়গা নির্ধারন করার সাত বছর অতিবাহিত হলেও নির্মান কাজ শুরু না হওয়ায় সংস্কৃতি কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‌জগন্নাথপুর উপজেলার সাংস্কৃতিক সংগঠক ও রাধারমণ অনুরাগীরা জানান,২০১৫ সালে বৈষ্ণব পদাবলির মহারাজা লোককবি রাধারমণ দত্ত পুরকায়স্থের মৃত্যু শতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের উদ্যাগে রাষ্ট্রীয়ভাবে তিন দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। জন্মভূমি জগন্নাথপুর উপজেলায় এ অনুষ্ঠানের উদ্ধোধনী দিনে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী স্হানীয় সংসদ সদস্য ( বর্তমান পরিকল্পনা মন্ত্রী) এম এ মান্নান প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তাদের বক্তব্যে জগন্নাথপুরে রাধারমণ কমপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা দেয়া হয়।সভাশেষে দুই মন্ত্রী কেশবপুর বাজার সংলগ্ন ভূমিতে রাধারমণ দত্তের কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে কমপ্লেক্সের জায়গার স্হান নির্ধারণ করেন।‌রাধারমন স্মৃতি সংসদের সভাপতি আফরোজ আলী জানান, দুই মন্ত্রীর উপস্থিতিতে জায়গা নির্ধারণের সাত বছর অতিবাহিত হলেও রাধারমণ দত্তের কমপ্লেক্সের কাজের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা ব্যতিত।
কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা তরুণ সমাজকর্মী ও সাংস্কৃতিক সংগঠক আবু হেনা রনি বলেন,রাধারমণ দত্ত দেশের লোক সংস্কৃতি ভান্ডার কে সমৃদ্ধ করেছেন। অথচ রাধারমণ দত্ত আজো উপেক্ষিত। যা দুঃখজনক। তিনি দ্রুত রাধারমন কমপ্লেক্সের কাজ শুরুর দাবি জানান।
‌জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, রাধারমণ দত্ত তিন হাজারের মতো গান রচনা করে আমাদের লোকসংস্কৃতির ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন। তাঁর স্মৃতি বিজড়িত কেশবপুর গ্রামে একটি কমপ্লেক্স হোক এটা সারাদেশের সংস্কৃতি অনুরাগীদের দাবি।তিনি রাধারমণ দত্তের মতো গুনী কবিকে মরণোত্তর একুশে কিংবা স্বাধীনতা পদক দিতে দাবি জানান। ‌
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আকমল হোসেন বলেন, প্রতিদিন দেশ বিদেশের মানুষ কেশবপুর গ্রামে রাধারমন দত্তের শেষ স্মৃতি চিহ্ন সমাধি দেখতে আসেন। এখানে একটি কমপ্লেক্স থাকলে সংস্কৃতির চচ্চা আরো বিকশিত হতো। ‌
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, ভূমি জটিলতায় কমপ্লেক্স স্হাপন আটকে ছিল। বর্তমানে ভূমি জটিলতা নিরসন হয়েছে। আশা করছি রাধারমণ দত্ত কমপ্লেক্স অচিরেই হবে। তিনি বলেন, গত বছর সংস্কৃতি মন্ত্রী রাধারমণ দত্তের বাড়ি পরিদর্শন এলে বিষয়টি সাংস্কৃতিক কর্মীরা তাঁর নজরে আনলে তিনি এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com