1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

রানীগঞ্জ সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে যান চলাচলের আগেই ধস

  • Update Time : শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৬৫৯ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি::
সিলেট বিভাগের দীর্ঘতম সেতু জগন্নাথপুর উপজেলার পাগলা জগন্নাথপুর আউশকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের রানীগঞ্জ সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কে যান চলাচলের আগেই ধস দেখা দিয়েছে। সড়ক জুড়ে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত ও দুই পাশের মাটি ধসে সড়কটি ঝুঁকিতে পড়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কে নিম্নমানের কাজ করায় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গর্র্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের পাশের মাটি ধসে সড়কটি ঝুঁকিতে পড়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে ১২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭০২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০.২৫ মিটার প্রস্তবিশিষ্ট রানীগঞ্জ সেতুর কাজ শুরু হয়। এসময় সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সেতুর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১৮ সালে সেতুর কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির কারণে সেতুর কাজ পিছিয়ে যায়। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে সেতুর অ্যাপ্রোচের কাজ শুরু করে। তমা কনস্ট্রাকশন ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে আড়াই কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ চলতি বছরের জুন মাসে শেষ করে। গতকাল সরেজমিনে দেখা গেছে সড়কের কমপক্ষে ২০/২৫ জায়গায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে সড়কটি ঝুঁকিতে পড়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে সড়কে কথা হয় রানীগঞ্জের বাসিন্দা সুহেল আহমেদের সঙ্গে। তিনি জানান, অ্যাপ্রোচ সড়কে কাজের সময় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়। আমরা এসময় প্রতিবাদ করলেও প্রভাবশালী ঠিকাদার খেয়াল খুশি মতো নিম্নমানের কাজ করে গেছে। সুহেলসহ এলাকার লোকজন জানান, কাজের তদারকি সঠিকভাবে হয়নি। অধিকাংশ কাজ হয়েছে রাতের আঁধারে।
এ বিষয়ে জানতে অ্যাপ্রোচ সড়কের ঠিকাদার মঈনুল হক বলেন, আগামী জুন পর্যন্ত আমাদের কাজের সময়সীমা রয়েছে। বৃষ্টিতে সড়কের মাটি ধসে গেছে এবং কিছু কিছু জায়গায় গর্ত তৈরি হয়ে সড়কের যেসব অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেগুলো আমরা সংস্কার করে দিব।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ সহকারী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অ্যাপ্রোচ সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ আমরা পরিদর্শন করে ঠিকাদার কে সংস্কার করে দিতে বলেছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com