1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে বেড়ে উঠছে শিশু

  • Update Time : শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৩১৭ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক ::
আর পাঁচজন শিশুর মতোই দৌড়ঝাঁপ, খেলাধুলা করতে ভালবাসে ভিরসাভিয়া বোরান। কিন্তু একটি ক্ষেত্রেই সবার থেকে আলাদা এই রাশিয়ান বালিকা। জন্ম থেকেই শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্মেছিল এই মেয়েটি।

চিকিৎসকদের ভাষায় ভিরসাভিয়া ‘পেন্টালজি অফ স্যানট্রেল’ নামে এক বিরল রোগে আক্রান্ত। এই রোগের ফলেই তার বুকের মাঝে বাইরের দিকে জায়গা করে নিয়েছে হৃৎপিণ্ড। বাইরে থেকেই দেখা যায়, কীভাবে হৃদস্পন্দন চলছে।

ভিরসাভিয়া এই বিরল রোগে আক্রান্ত হলেও, সে সেই সব নিয়ে চিন্তিত নয়। সে হৃৎপিণ্ড নিয়ে নাচ, গান, খেলাধুলা করে চলেছে। কিন্তু তার এই রোগ মোটেই সহজ নয়। ১০ লক্ষ শিশুর মধ্যে ৫.৫ শতাংশ এই রোগ নিয়ে জন্মায়। এই রোগ পরে জীবন মরণ পরিস্থিতি পর্যন্ত তৈরি করতে পারে।
সম্প্রতি ভিরাসাভিয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এই ইউটিউব ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে যে, ভিরসাভিয়ার হৃৎপিণ্ড ঢিপঢিপ করছে। কিন্তু এই বালিকা খিলখিল করে হেসে চলেছে।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কাছে ভিরসাভিয়া বলে, আমারই শুধু এইরকম হৃৎপিণ্ড রয়েছে। আমি হালকা পোশাক পরি, যাতে হৃৎপিণ্ডে আঘাত না লাগে। আর তার পরে আমি স্বাভাবিক ভাবেই হেঁটে বেড়াই, লাফাই, দৌড়াই।’’

জন্মের পরেই ভিরসাভিয়ার মাকে চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, বেশিদিন বাঁচবে না সে। কিন্তু ৮ বছর কেটে গিয়েছে। এখনও দিব্যি আছে বালিকা। রাশিার বাসিন্দা হলেও আপাতত মা-র সঙ্গে ফ্লোরিডাতে থাকে ভিরসাভিয়া। ভিরসাভিয়ার সার্জারির জন্য বহু হাসপাতাল ঘুরেছেন তার মা। কিন্তু এতো ঝুঁকিবহুল অস্ত্রপচার করতে রাজি হচ্ছে না কোনও চিকিৎসকই। কিন্তু তাও আশা ছাড়েননি তার মা।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com