1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, এনসিপির অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা সালাউদ্দিন তানভীর গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইহকাল-পরকালে মায়ের খিদমতের উপকারিতা সাংবাদিক সানোয়ার হাসান সুনু ও জগন্নাথপুর গ্রামবাসী কে  নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত  সুনামগঞ্জের জামালপুরে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, ১৬ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার ঢাকার তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন জগন্নাথপুরের সন্তান অধ্যক্ষ শহিদুল আলম এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম খাগড়াছড়িতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক আগস্টে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যোগ হচ্ছে না

শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধে সচেতনতামূলক স্লোগান

  • Update Time : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০১৬
  • ৬৫৭ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক:: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধে সরকারি চিঠিতে চারটি স্লোগান যুক্ত করতে হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ে পাঠানো চিঠিতে পর্যায়ক্রমে এসব স্লোগান সন্নিবেশিত করতে সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
স্লোগানগুলো হলো- শাস্তিমুক্ত বিদ্যালয়, শিক্ষালাভে সহায় হয়; শিশুর জন্য বেত ছাড়ি, সৃজনশীল বাংলা গড়ি; আদর আর ভালোবাসা, দিতে পারে সুশিক্ষা; শিখবে শিশু হেসে খেলে, শাস্তিমুক্ত পরিবেশ পেলে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ১৯ মার্চ শিশুদের ওপর শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধ সম্পর্কিত সচেতনতামূলক স্লোগান ঠিক করে তা মাঠপর্যায়ে জারিকৃত সব চিঠিতে সন্নিবেশিত করতে সিদ্ধান্ত দেয়।
এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি করে ৩৩টি স্লোগান রচনা ও সংগ্রহ করে তার মধ্য থেকে চারটি স্লোগান প্রচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
এর আগে ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেওয়ার নামে নির্যাতনকে সংবিধান পরিপন্থী ঘোষণা করে।
পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধে প্রণীত গাইডলাইন চূড়ান্ত করে এর আলোকে ব্যবস্থা নিতেও সরকারকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
২০১১ সালের ২৬ এপ্রিল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ১১ ধরনের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে সরকার। শিক্ষার্থীদের হাত-পা বা কোনো কিছু দিয়ে আঘাত বা বেত্রাঘাত, চক বা ডাস্টার জাতীয় বস্তু ছুড়ে মারা, আছাড় দেওয়া ও চিমটি কাটা, শরীরের কোনো স্থানে কামড় দেওয়া, চুল টানা বা কেটে দেওয়া, হাতের আঙুলের ফাঁকে পেনসিল চাপা ও মোচড় দেওয়া, ঘাড় ধাক্কা দেওয়া, কান টানা বা ওঠ-বস করানো, চেয়ার, টেবিল বা কোনো কিছুর নিচে মাথা দিয়ে দাঁড় করানো বা হাঁটু গেড়ে দাঁড় করে রাখা, রোদে দাঁড় করে বা শুইয়ে রাখা কিংবা সূর্যের দিকে মুখ করে দাঁড় করানো এবং শ্রম আইনে নিষিদ্ধ কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের দিয়ে করানো নিষিদ্ধ করে।
এছাড়া শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মা-বাবা, বংশ পরিচয়, গোত্র-বর্ণ ও ধর্ম সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য, অশোভন অঙ্গভঙ্গি করা বা শিক্ষার্থীদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে এমন বিষয়গুলো মানসিক শাস্তি হিসেবে চিহ্নিত হবে।
কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরনের শাস্তি দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
প্রয়োজনে ফৌজদারি আইনেও অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের সময় তাদের নিয়োগপত্রে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেওয়া যাবে না- মর্মে শর্ত অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা নেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র সুনামগঞ্জের খবর

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com