1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং

সিলেটে মা-বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩
  • ২৪৬ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

সিলেটে মা-বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সকালে সিলেট জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক সিনিয়র দায়রা জজ মশিউর রহমান চৌধুরী এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ সিলেটের গোলাপগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবা আবদুল করিম খান (৬০) ও মা মিনারা বেগম (৪৫) কে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে আতিক হোসেন খান ওরফে আতিকুর রহমান রাহেল (৩৫) নামক এক ব্যক্তি।

পরে, তার ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।  পরবর্তীতে ২৮ মার্চ গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযুক্ত আতিককে আটক করে। এরপর ধারাবাহিক বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন সিলেট জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী এডভোকেট নিজাম উদ্দিন আহমদ জানান, সকল সাক্ষ্য প্রমাণে আতিকুর রহমান দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

তবে, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৭ মার্চ সকালে উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামে আবদুল করিম খান এর ছেলে আতিক হোসেন খান ওরফে আতিকুর রহমান রাহেল  বাড়ির সামনের গাছ কাটতে গেলে তার বাবা করিম খান ও তার মাতা মিনারা বেগম বাধা দেন। এ সময় তাদের সাথে ছেলের বাকবিতণ্ডা হলে এক পর্যায়ে আতিক হোসেন খান উত্তেজিত হয়ে হাতে থাকা কোদাল ও দা দিয়ে বাবা ও মাতার উপর হামলা করে।

স্থানীয়রা তাদের চিৎকার শোনে এগিয়ে আসলে ছেলে আতিক হোসেন খান ওরফে আতিকুর রহমান রাহেল পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই করিম খান মৃত্যুবরণ করেন। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা মিনারা বেগমকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এরপর কিছুটা সুস্থ হলে মিনারা বেগমকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পরে হঠাৎ আবার শরীর খারাপ হয়ে গেলে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

 

 

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com