1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন

এটিএম কার্ড জালিয়াতির ঘটনায় গ্রেফতারকৃত বিদেশী ৬ দিনের রিমান্ডে

  • Update Time : সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ৪৯৬ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: এটিএম কার্ড জালিয়াতির ঘটনায় গ্রেফতার প্রধান হোতা জার্মান নাগরিক থমাস পিটার ও সিটি ব্যাংকের তিন কর্মকর্তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে টমাস পিটারসহ চারজনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের সোহরাব হোসেন।

গ্রেফতার সিটি ব্যাংকের আইটি শাখার তিন কর্মকর্তা হলেন- মোরশেদ আলম মাকসুদ, রেজাউল করিম ও রিয়াজ আহমেদ।

পিটারসহ চারজনকে রোববার সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি। এরপর সোমবার দুপুরে তাদের নিয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করেন ডিবির কর্মকর্তারা।

এটিএম কার্ড ক্লোন করে ব্যাংকের গ্রাহকদের বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইউসিবি কর্তৃপক্ষ বনানী থানায় মামলা করে। এরপর এজাহারের সঙ্গে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজও জমা দেয়া হয়।

এছাড়া সিটি ব্যাংক কর্তৃপক্ষও পল্লবী থানায় একটি মামলা করে। গোয়েন্দা পুলিশ পুরো বিষয়টির তদন্ত করছে।

প্রসঙ্গত, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বিভিন্নস্থানে স্থাপিত বেসরকারি তিনটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে অন্তত ২০ লাখ টাকা তুলে নেয় চক্রটি। টাকা হাতিয়ে নিতে তারা স্কিমিং ডিভাইস বসিয়ে গ্রাহকদের গোপন তথ্য চুরি করে।

এরপর ঘটনার শিকার ২১ জন সাধারণ গ্রাহক ছাড়াও সংশ্লিষ্ট ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল), সিটি ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে টনক নড়ে। এ সেক্টরের কড়া নিরাপত্তা সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংকও দ্রুত এগিয়ে আসে। মাঠে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অবশেষে যুগান্তর অনুসন্ধান সেলের সহযোগিতায় এটিএম কার্ড জালিয়াত চক্রটির অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে এ চক্রের মূলহোতা থমাস পিটারকে রাজধানী থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর গ্রেফতার করা হয় সিটি ব্যাংকের আইটি শাখার তিন কর্মকর্তাকে।

জানা গেছে, থমাস পিটার আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত। রাশিয়া, ইউক্রেন ও পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে রয়েছে তার বহু সহযোগী। বাংলাদেশে বসেই আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্রকে নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। কয়েকটি দেশের পুলিশের তালিকায় পিটার আন্তর্জাতিক অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত।

প্রথম এক বছর বাংলাদেশে ব্যবসায়ী হিসেবে ভিসা নিয়ে বসবাস করেন তিনি। এরপর গত তিন বছর ধরেই আছেন অবৈধভাবে। দেশীয় একটি চক্রের সহায়তায় বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে বিপুল অংকের টাকা লুট করার বড় ধরনের প্রস্তুতি ছিল তার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com