1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার ‘ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম’ কর্ণাটকে মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়, ক্ষমা চাওয়ার দাবি বিজেপির আজ ৩১ আগস্ট, শ্রীরামসি গণহত্যার ৫৫ বছর খাবার অপচয় সম্পর্কে ইসলামের সতর্কবার্তা মীরপুরে মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ছেলেকে বিক্রি করে এক লাখ টাকায় আইফোন কিনলেন বাবা! প্রতি উপজেলায় বয়স্কদের পুনর্বাসনে কমপ্লেক্স নির্মাণ করবে সরকার লক্ষ্মীপুরে সুপারি গাছে উঠতে না চাওয়ায় শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ একজন শহীদুল আলম জগন্নাথপুরে ফের বিদ্যুতের লোডশেডিং: তীব্র গরমে চরম ভোগান্তি

আজ ৩১ আগস্ট, শ্রীরামসি গণহত্যার ৫৫ বছর

  • Update Time : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি::
আজ ৩১ আগস্ট, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসি গণহত্যা দিবস। একাত্তরের এই দিনে পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের শ্রীরামসি গ্রামে এক নারকীয় ও বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে ১২৬ জন সহজ-সরল, শান্তিপ্রিয় মানুষকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই প্রতি বছর শ্রীরামসীবাসী  এই দিনটিকে ‘আঞ্চলিক শোকদিবস’ হিসেবে পালন করে আসছেন ।
ইতিহাসের পাতা ও স্থানীয় প্রবীণদের সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৩১ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর একটি দল ৭/৮টি নৌকাযোগে শ্রীরামসি বাজারে এসে আস্তানা গাড়ে। এরপর স্থানীয় কুখ্যাত রাজাকারদের মাধ্যমে পুরো গ্রামে খবর ছড়িয়ে দেওয়া হয় যে, শ্রীরামসি হাইস্কুল মাঠে ‘শান্তি কমিটির’ এক জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে; যেখানে গ্রামের সবাইকে উপস্থিত থাকতে হবে । সেইদিন শান্তির আশায় এবং জানমালের নিরাপত্তার কথা ভেবে গ্রামের সাধারণ মানুষ দলে দলে স্কুল মাঠে সমবেত হতে শুরু করেন । এমনকি যারা আসতে কিছুটা দেরি করছিলেন, রাজাকাররা তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেকে ও ধরে নিয়ে আসে । স্কুল মাঠে যখন গ্রামের শত শত মানুষ জড়ো হন, তখন শুরু হয় পাকিস্তানি সেনাদের আসল পৈশাচিক রূপ। তারা সমবেত মানুষদের মধ্য থেকে ১০-১২ জন করে আলাদা করে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে যেতে থাকে। ঘরের ভেতর ঢোকামাত্রই তাদের হাত-পা বেঁধে ফেলা হয় । এরপর লাইনে দাঁড় করিয়ে একে একে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয় । নরপশুদের সেই বুলেটের আঘাতে নিথর হয়ে লুটিয়ে পড়েন ছাত্র, শিক্ষক, সরকারি চাকুরিজীবী, তরুণ, সাধারণ কৃষক এবং দূর-দূরান্ত থেকে ওই গ্রামে বেড়াতে আসা হতভাগ্য স্বজনেরা । সেদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১২৬টি তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল ঘাতকেরা । নরপশুরা সেদিন তাদের হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি তারা শ্রীরামসি বাজারে গিয়ে কেরোসিন ছিটিয়ে বাজারে সবকটি দোকান ঘর আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এরপরও হানাদাররা শ্রীরামসি গ্রামে আক্রমন চালায়। ততক্ষনে জনমানব শূন্য হয়ে পড়ে সমস্ত গ্রাম। হানাদাররা ঘর বাড়ীতেও অগ্নিসংযোগ করে বর্বরতার চরম উত্তাল প্রকাশ করে। এভাবেই সেদিন সংঘটিত হয় ইতিহাসের সেই বর্বর হত্যাকান্ড। প্রতি বছর গ্রামের লোকজন এ দিনটিতে আঞ্চলিক শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শহীদ স্মৃতি সংসদের পক্ষে বিভিন্ন কর্মসুচী গ্রহণ করা হয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসলাম উদ্দিন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করা হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com