1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং

প্রাইভেট না পড়ায় ছাত্রীকে পিটিয়ে হাসপাতলে পাঠাল এক শিক্ষক

  • Update Time : রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৪১৫ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: প্রাইভেট না পড়ার কারণে এক শিক্ষার্থীকে বেদম মারধর করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন এক শিক্ষক।
মাদারীপুরের কালকিনিতে এ ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীর বাবা আতিকুর রহমানকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় রোববার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

হাসপাতাল ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, পৌর এলাকার দক্ষিণ রাজদী গ্রামের আতিকুর রহমান শিকদারের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে জাসিয়া আক্তার (১১) তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেনের কাছে দীর্ঘদিন প্রাইভেট পড়ে আসছে। কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে বর্তমানে প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দিলে প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার বিকালে জাসিয়া আক্তারকে শ্রেণিকক্ষে বেদম মারধর করেন।

শিক্ষকের পিটুনিতে জাসিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

মেয়েকে মারধরের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষক সরোয়ার হোসেনর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন ওই শিক্ষর্থীর বাবা আতিকুর রহমান শিকদারও।

এ বিষয় অভিযোগ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শরীফুল ইসলাম ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রদান করেছেন।

শিক্ষার্থীর মা আফরোজা বেগম বলেন, প্রাইভেট পড়া বন্ধ করে দেয়ায় আমার মেয়েকে শিক্ষক মারধর করেছেন। এমনকি আমার স্বামীকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষক সরোয়ার হোসেন বলেন, এসব ঘটনা মিথ্যা ও সাজানো।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ওই ছাত্রীকে আমরা দেখতে হাসপাতালে গিয়েছি। তাকে শারীরিকভাবে যে নির্যাতন করা হয়েছে তা অমানবিক। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com