1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া 

জগন্নাথপুরের লন্ডন প্রবাসি লুলু মিয়া ৫৮ বছরে গ্রাজুয়েশন অর্জন

  • Update Time : শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৭
  • ৩৫০ Time View

স্টাফ রিপোর্টার :: আলহাজ্ব মুহাম্মদ লুলু মিয়া । পরিবারের প্রধান ছেলে। তার ছোট তিন ভাই গ্রাজুয়েশন পেয়েছেন। তিনি পারেন নি। জীবন জীবকার তাগিতে পাড়ি নিতে হয় সুদূর প্রবাসে। প্রবাসে কর্মময় জীবনে ব্যস্ত থাকলেও মনের ভেতর সব সময়ই লেখাপড়া নিয়ে ভাবনাটা উকি দিত। এই ভাবনা থেকেই অবশেষে ৫৮ বয়সে এসে কাংখিত সেই গ্রাজুয়েশন অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। এই ব্যক্তির বাড়ি প্রবাসি অধ্যুষিত জগন্নাথপুর পৌরশহরের হবিবপুর গ্রামে। তিনি জগন্নাথপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবঃ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবদুর রহিমের পুত্র। তিনি র্দীঘ ২৫ বছর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর চার ছেলে ও তিন মেয়ে।
সবার বড় আলহাজ্ব মুহাম্মদ লুলু মিয়া। ৯ম শ্রেনী পর্যন্ত পড়াশুনা করে ১৯৯৭২ সালে তিনি জীবন জীবিকার টানে যুক্তরাজ্যে পাড়ি দেন । সেখানে তিনি কিছুদিন পড়াশুনা করার পর কাজের চাপে এক সময় বন্ধ হয়ে যায় লেখাপড়া। ১৯৭৩ সালে তিনি বিয়ে করেছেন। ৩ ছেলে ও এক মেয়ের জনক তিনি। শত ব্যস্ততার মধ্যে অন্তরে দৃঢ প্রত্যয় ছিল গ্রাজুয়েশন অর্জনের। সেই লক্ষ্যে সংসার ও কাজের ভীরের মধ্যে আবারও পড়াশুনা শুরু করেন। লল্ডনের টহরাবৎংরঃর ঙভ উবৎনু
ভর্তি হয়ে তিন বছর পড়াশুনা শেষে গ্রাজুয়েশন সফলতা অর্জনে সক্ষম হন। গত মাসে এক অনুষ্টানের মধ্য দিয়ে তাকে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান করা হয়েছে।

লন্ডন প্রবাসি আলহাজ্ব মোহাম্মদ লুল মিয়ার ছোট ভাই এডভোকেট জিয়াউর রহিম শাহিন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, বড় ভাই ছোটকাল থেকেই মেধাবি ছিলেন। তিনি ৫ম ও ৮ম শ্রেনীতে স্কলাপশীপ পেয়েছেন। জীবিকার টানে প্রবাসে চলে যাওয়ার পর পড়াশুনা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু প্রত্যয় ছিল গ্রাজুয়েশন অর্জনের। কারণ আমরা তিন ভাই গ্রাজুয়েশন করেছি। সবাই যখন গ্রাজুয়েশন অর্জনে সক্ষম হয়ে আমি কেন পারব না। এই চেতনা থেকে তিনি ৫৮ বছরে এসে গ্রাজুয়েশন লাভ করেছে। এ জন্য আল্লাহ পাকের শোকরিয়া আদায় করছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com