1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম!

আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারকে নামাতে হবে : মির্জা ফখরুল

  • Update Time : সোমবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৯
  • ৪৩৯ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একাদশ নির্বাচনে প্রশাসনকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। এ নির্বাচন জনগণ মেনে নেয়নি। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। আন্দোলনের মাধ্যমে এই ক্ষমতাসীন সরকারকে সরিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের দাবি আদায় করা হবে।

সোমবার লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নের পাগলার হাট এলাকায় এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। রাজপুর ইউনিয়নের খলাইঘাট গ্রামে নির্বাচনের দিনে সংঘর্ষে নিহত বিএনপি নেতা তোজাম্মেল হকের মৃত্যুর ঘটনায় এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা জেএসডির সভাপতি আ সম আব্দুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। সমাবেশ শুরুর আগে ঐক্যফ্রন্ট নেতারা নিহত তোজাম্মেল হকের কবরে ফাতিহা পাঠ করেন এবং পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নিয়ে অনুদান দেন। অনুদান দেওয়া হয় ওই ঘটনায় আহতদেরও।

জনগণের ভোটে আওয়ামী লীগ কোনো দিনই নির্বাচিত হয়নি দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতেও কোনো দিন আওয়ামী লীগ জগণের ভোটে সরকার গঠন করতে পারেনি। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। ভবিষ্যতেও তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবে না।

তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের নামে প্রায় ৯৮ হাজার মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামি ২৬ লাখ। এই সরকার ও বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট অংশগ্রহণ করবে না বলেও জানান বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন ও সাজানো মামলায় কারাগারে বন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ৩০ ডিসেম্বরের ভোট কারচুপি করে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এ কারণে এ নির্বাচনে জয়ী বা বিজয়ী বলে কিছু নেই। এ নির্বাচনে জনগণের প্রতিনিধিত্ব হয়নি। জনগণের ভোটাধিকার ডাকাতি করা হয়েছে। বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ নির্বাচন বয়কট করেছে। তাই আমাদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ নেয়া না নেয়ারও কিছু নেই বলেও জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র।

ফখরুল বলেন, আমরা আগেও বলেছি আন্দোলনের অংশ হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এ কারণে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

ঐক্যফ্রন্ট নেতা ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, এ রকম নির্বাচন পৃথিবীর কোথাও হয়নি। জনগণ এই নির্বাচন মেনে নেয়নি। তাই এই নির্বাচন বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আন্দোলন ছাড়া আর কোনো পথ নেই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে নামাতে হবে।

প্রতিবাদ সভায় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, তোজাম্মেলের কী অপরাধ ছিল। তার অপরাধ তিনি ধানের শীষের লোক ছিলেন। তিনি ধানের শীষে ভোট দিতে এসেছিলেন বলে আওয়ামী লীগের লোকেরা তাকে হত্যা করেছে।

এর আগে সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বিমান যোগে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। সড়ক পথে প্রথমে তারা লালমনিরহাট সদরের রাজপুর ইউনিয়নের খলাইঘাটে তোজাম্মেল হকের কবর জিয়ারত করেন। এরপর নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকাল ৮টার দিকে তোজাম্মেল হকসহ কয়েকজন ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। পথে রাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন তার বাড়ির সামনে তাদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেয়। দু্ই পক্ষের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তোজাম্মেল হককে মারপিট ও পেটে ছুরি মারা হয়। পরে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মারা যান।

এ ঘটনায় ১ জানুয়ারি লালমনিরহাট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন নিহত তোজাম্মেলের ছেলে মোস্তফা।

আসামিরা হলেন-ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন, মোজাম্মেল হোসেন মাস্টার, আঙুর মিয়া ও তার ভাই লেবু মিয়া, সিদ্দিক আলী, শাহীন, মহসিন আলী, জাহাঙ্গীর আলম ও মজি।

পরে আদালতের নির্দেশে সদর থানায় ৯ জানুয়ারি মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com