1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
যুক্তরাজ্যে রেফারী সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক বিএনপি নেতা নান্নু’র পিতার মৃত্যুতে জগন্নাথপুর উপজেলা বিএনপির শোক

আয়া দিয়ে ডেলিভারি: নবজাতকের শরীর বিচ্ছিন্ন, মাথা গর্ভে

  • Update Time : রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৭০ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

হাসপাতালে চিকিৎসক বা নার্স ছিলেন না কেউই। অবশেষে অনাগত সন্তান প্রসব করাতে এগিয়ে আসেন এক আয়া। কিন্তু সেই চেষ্টায় দ্বিখন্ডিত হয়ে যায় সন্তান। দেহ থেকে ছিন্ন হয়ে মায়ের গর্ভে রয়ে যায় শিশুটির মাথা। ডিবিসি নিউজ, বাংলাদেশ জার্নাল

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ৮টায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর উত্তেজনা সৃষ্টি হলে প্রসূতি ওয়ার্ডের দায়িত্বরত কর্মীরা সবাই সটকে পড়েন।

ঘটনার শিকার আন্না খাতুন (২৬) যশোরের শার্শা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আইয়ুব হোসেনের স্ত্রী। 

আইয়ুব হোসেনের অভিযোগ, তার স্ত্রী পাঁচমাসের গর্ভবতী। সন্তানের নড়াচড়া টের না পাওয়ায় শুক্রবার রাতে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শনিবার সকালে চিকিৎসক আল্ট্রাসনো পরীক্ষা করে গর্ভের সন্তান মারা গেছে বলে জানান।

পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবিকা গর্ভপাতের ওষুধ দেন। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ বেরিয়ে আসে অনাগত সন্তানটির পা। এ সময় অনেক ডাকাডাকি করেও পাওয়া যায়নি হাসপাতালের কোনো চিকিৎসক এবং নার্সদের। পরে ওয়ার্ডের আয়া মোমেনা সন্তান প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে সন্তানের দেহ বেরিয়ে এলেও মাথা ছিন্ন হয়ে থেকে যায় প্রসূতির গর্ভে। এ ঘটনার পর রোগীর স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে সেবিকা, আয়া সবাই ওয়ার্ড ছেড়ে পালিয়ে যান।

এ ব্যাপারে কথা বলতে ঘটনার সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তানজিলা ইয়াসমিনের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

পরে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহম্মেদ মোবাইল ফোনে জানান, রোগীর গর্ভে ২০ সপ্তাহের মৃত বাচ্চা ছিলো। অ্যাবরেশনের জন্য মেডিসিন দেয়া হয়। রাতে বাচ্চার পা বেরিয়ে আসতে দেখে আয়া কাউকে না জানিয়ে নিজে ডেলিভারি করার চেষ্টা করে। তখন বাচ্চার শরীর বেরিয়ে এলেও মাথা মায়ের গর্ভে থেকে যায়। ওই আয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালটির আরএমও আরিফ আহমেদ। বাচ্চাটির মাথা বের করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে ঘটনার সময় ওয়ার্ডে চিকিৎসক এবং নার্স ছিল বলে দাবি করেছেন ডা. আরিফ।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com