1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকা ঈমানের দাবি স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের লাশ/ বাসায় ডেকে আনা ব্যক্তিই কেড়ে নেন তিন প্রাণ: পিবিআই দিরাইয়ে জলমহাল থেকে দেড় কোটি টাকার মাছ লুটের অভিযোগ বিদ্যুৎ সংকট কমবে কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুরে র‍্যালি ও আলোচনাসভা ​ জ্বালানি সংকট উত্তরণে সংসদে বিরোধী দলের ৪ প্রস্তাব, সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বাড়িতে মিললো যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ সত্য প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও শিষ্টাচারের গুরুত্ব ১০ বার ডেকেও আসেননি নার্স! জগন্নাথপুর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

প্রতিদিন গড়ে ১.৭ শিশু ধর্ষনের শিকার হচ্ছে

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০১৭
  • ৩৩০ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের তথ্য বলছে, গত বছর প্রতিদিন গড়ে ১ দশমিক ৭ জন মেয়ে শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ০ থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুরাও এ নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই পায়নি। কেউ কেউ গণধর্ষণেরও শিকার হয়।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি আয়োজিত ‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি দেশের ৫৫টি জেলার ১২ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ভিত্তিক নারী সংগঠন ‘পল্লী সমাজ’ এবং ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মসূচির বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া গত বছরের নারী নির্যাতনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি ডেটাবেইস তৈরি করেছে। গোলটেবিল বৈঠকে এ ডেটাবেইসের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন কর্মসূচির প্রধান ফারহানা হাফিজ।

ডেটাবেইস অনুযায়ী, গত বছর ৫৫টি জেলায় ৭ হাজার ৪৮৯টি নারী ও মেয়ে শিশুর নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। গড়ে প্রতি মাসে ৬২৪টি, প্রতিদিন ২০ দশমিক ৫টি এবং প্রতি জেলায় মাসে ১১ দশমিক ৩৫টি নির্যাতনের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। মোট নথিভুক্ত ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিল শারীরিক নির্যাতন (৬৭ %)। এরপর ছিল যৌন নির্যাতন (১৯ %) এবং মানসিক নির্যাতন (১৪%)। নথিভুক্ত নির্যাতনের ঘটনার মধ্যে ৫৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছে পরিবারের সদস্যরা। নারীরা শারীরিক নির্যাতনের শিকার বেশি হলেও শিশুদের নির্যাতনের মধ্যে সব থেকে বেশি ঘটে ধর্ষণের ঘটনা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদা শারমীন বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে অনেক আইন আছে। সরকার ও বেসরকারি সংগঠনের নানা কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু তারপরও নারী ও মেয়ে শিশু নির্যাতনের যে সংখ্যা ও ধরন তা খুবই উদ্বেগজনক।

মাহমুদা শারমীনের মতে, সমন্বিতভাবে কাজ না করলে এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। আর নারীদের শুধু অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন হলেই হবে না, নারীদের সম্পর্কে সমাজের যে মনমানসিকতা তারও পরিবর্তন জরুরি।

বৈঠকে উপস্থিত এক বাবা জানালেন, তাঁর আট মাস বয়সী মেয়ে ধর্ষণের শিকার। তিনি জানালেন, দরিদ্র হওয়ার কারণে থানা, পুলিশসহ কোনো জায়গা থেকেই সহায়তা পাচ্ছেন না। ঘটনার পর পার হয়েছে পাঁচ মাস। আসামি ঘুরে বেড়াচ্ছে আর এই বাবা আসামির ভয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

বৈঠকে আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম, আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ গবেষক রুচিরা তাবাসসুম নভেদ, পুলিশের উপকমিশনার ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের প্রধান ফরিদা ইয়াসমীন এবং একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু।

বৈঠকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন, জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটির পরিচালক আন্না মিনজ। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন ব্র্যাকের অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জের পরিচালক কে এ এম মোর্শেদ। সুত্র প্রথম আলো।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com