1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

অস্ত্র মামলায় অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে জগন্নাথপুরের এক লন্ডনপ্রবাসী নিজেই ফেঁসে গেলেন

  • Update Time : রবিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৩৩৯ Time View

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে অস্ত্র মামলায় অন্যদের ফাঁসাতে গিয়ে এক লন্ডন প্রবাসি নিজেই ফেঁসে গেছেন। রোববার সকালে

সিলেট এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে ওই লন্ডন প্রবাসি কয়েছ মিয়া (৩৫)কে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের কাছে দেওয়া হয়। কয়েছ মিয়া জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পুর্ব বুধরাইল গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, পুর্ব বুধরাইল গ্রামের মসজিদের গেট নির্মাণ নিয়ে গ্রামের হারুন মিয়া ও তারিফ উল্লাহর পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে তারিফ উল্লাহ ছেলে আকবুল হোসেন, ভাতিজা সুমিন মিয়া ও অটোরিকশাচালক নুর মিয়াকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর পরিকল্পনা করে কয়েছ মিয়া ও একই গ্রামের অনিছুর রহমান। এ জন্য আনিছ তার বন্ধু পুলিশের সোর্স সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার পৈন্দা গ্রামের সালমান ইসলামকে নিয়ে পরিকল্পনা করেন। সালমান যোগাযোগ করেন সুনামগঞ্জ সদর থানার এক এসআইয়ের সঙ্গে। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৪ আগস্ট নূর মিয়াকে (৩৮) সুনামগঞ্জ পৌর শহরের একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে একটি লোহার তৈরি পাইপগানসহ আটক করে পুলিশ। আনিছই জগন্নাথপুর থেকে তার লোককে অস্ত্রসহ ওই সিএনজিতে তুলে দেয়। পরে সুনামগঞ্জ আসার পর সিএনজিতে অস্ত্র রেখে ওই লোক চলে দায়। ওই দিনই সুনামগঞ্জ সদর থানায় এসআই মো. শিবলী কায়েছ মীর বাদী হয়ে নুর মিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুনামগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান গত ২৪ সেটেম্বর আদালতে দেওয়া এক প্রতিবেদনে সিএনজি চালক নূর মিয়া এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলে উল্লেখ করেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, তার বড় ভাই এলাইছ মিয়া গ্রামের মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি। মসজিদের গেট নির্মাণ নিয়ে গ্রামের হারুন মিয়া ও তার ছেলেদের সঙ্গে কমিটির বিরোধ চলছে। এই বিরোধের জের ধরেই কয়েছ প্রতিপক্ষের লোকদের অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। আদালত এই প্রতিবেদন পাওয়ার পর নুর মিয়াকে জামিন দেন। পরে এ ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর থানার এসআই মো. শিবলী কায়েছ মীরকে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়।
সুনামগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ বলেছেন, কয়েছ মিয়াকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করে আমাদের কাছে দিয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে সে জড়িত বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। প্রয়োজনে রিমান্ডে এনে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com