1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

আইনী লড়াইয়ে সন্তানের স্বীকৃতি ও সংসার ফিরে পেল বিণতা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৫৬ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার প্রতারণার শিকার বিণতা সরকার (৩৫) আইনী লড়াইয়ে সন্তানের স্বীকৃতি পেলো একই সঙ্গে সংসারও ফিরে ফেলো সে। মঙ্গলবার বিকালে আদালতের আদেশে বিণতা এই স্বীকৃতি পায়।
জানা যায়, বিণতা সরকার স্বামী মারা যাওয়ার পর দুই মেয়ে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। দেবর সেবক বিশ্বাসের দ্বারা প্রতারণার শিকার হন তিনি। সেবক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিণতার সাথে শারীরিক সম্পর্ক রাখে। বিণতা সন্তান সম্ভবা হন। কিন্তু সেবক বিশ্বাস বিণতার গর্ভের সন্তানকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করে এবং বিণতাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। বিণতা গত বছরের ২৩
অক্টোবর বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার কার্যালয়ে বিচার প্রার্থী হন। বিণতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষকে নিয়ে মহিলা পরিষদে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিবাদীপক্ষ সালিশের সিদ্ধান্ত মানে নি। পরে বিণতা ধর্মপাশা থানায় গত বছর ৫ ডিসেম্বর অভিযোগ (মামলা নম্বর ৭৩/১৯) দায়ের করে।
মহিলা পরিষদের মাধ্যমে আদালতে এই মামলা পরিচালনা করা হয়। মামলা চলাকালীন সময়ে সেবক বিশ্বাস গ্রেফতার হয় এবং বিণতা বিশ্বাসকে আদালতের নির্দেশে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সিলেটে সেইফ হোমে রাখা হয়। সেখানে বিণতা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। আদালতের মাধ্যমে বিণতার সন্তানের ডিএনএ টেস্টেও প্রমাণিত হয় যে, সন্তানটি সেবক বিশ্বাসের ঔরসজাত।
সেবক বিশ্বাস গ্রেফতার হওয়ায় পর তার অভিভাবকগণ মহিলা পরিষদে আসেন এবং বিষয়টি আপোষে শেষ করার জন্য অনুরোধ করেন। মহিলা পরিষদ তাদের জানিয়ে দেয় সেবক বিশ্বাস বিণতাকে বিয়ে করতে হবে এবং তার সন্তানকে স্বীকৃতি দিতে হবে। সেবক বিশ্বাসের অভিভাবক এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং বিণতা ও তার সন্তানকে গ্রহণ করবে বলে জানায়।
বিষয়টি বিণতার আইনজীবী আদালতকে অবহিত করলে সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার আপোসের শর্তে এবং বিণতাকে বিয়ে করার শর্তে ১৮ মার্চ সেবকের জামিন মঞ্জুর করেন। শেষে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে বিণতার মামলা স্থানান্তরিত হয় (মামলা নম্বর ১৭৭/২০২০)।
২৭ সেপ্টেম্বর বিণতার বাবা জয় কুমার বিশ^াসের আবেদনের প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ নারী শিশু নির্যাতন দমণ ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসাইন বিণতাকে পিতার জিম্মায় দেবার আদেশ প্রদান করেন। ২৮ সেপ্টেম্বর প্রথমে মন্দিরে এবং পরে হিন্দু বিবাহ রেজিস্টারের মাধ্যমে বিণতা ও সেবকের বিয়ে রেজিষ্ট্রি হয়।
বিয়ের পর মামলার ধার্য তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বরে আদালতে বিণতা, স্বামী সেবক ও তাদের সন্তানসহ হাজির হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমণ ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন তার জামিন বহাল রাখেন। বিণতা সন্তানের স্বীকৃতি নিয়ে স্বামীর সংসারে যায়।
বিণতার পক্ষে মামলার আইনজীবী ছিলেন মহিলা পরিষদে জেলা কার্যকরী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মতিয়া বেগম।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com