1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চট্রগ্রামে বন্যার্তদের মধ্যে জগন্নাথপুরের মাতৃভূমি ফাউন্ডেশনের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ গাজী নজরু‌লের এম‌পি পদ বা‌তি‌লে স্পিকার-ইসিকে জামায়া‌তের চি‌ঠি জগন্নাথপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায়-মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার পদত্যাগ করছেন ‘আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, হঠাৎ দেখি কাফেলা যাচ্ছে আমেরিকার দিকে’ ষাটোর্ধ্ব বয়সে আবারো গ্রাজুয়েশন লন্ডনে শিক্ষক সৈয়দ জহুরুল হক সংবর্ধিত জগন্নাথপুরে দুই মাদকসেবীকে কারাদণ্ড, ৫ দোকানিকে অর্থদণ্ড দাবি আদায়ে অনড় ‘ককরোচ’ পার্টি দিল্লির রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ সুদ অর্থনৈতিক বৈষম্য বয়ে আনে জগন্নাথপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

আজ শ্রীরামসি গণহত্যা দিবস

  • Update Time : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৪
  • ৯১৮ Time View

স্টাফ রিপোটারঃ
আজ ৩১শে আগষ্ট-শ্রীরামসি গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার শ্রীরামসি গ্রামে এক ভয়াবহ গণহত্যা সংঘটিত হয়। সেই দিনের নিহত শহীদের স্মরনে দেশ স্বাধীনের পর থেকে এই দিনটি শ্রীরামসি গ্রামবাসী আঞ্চলিক শোক দিবস হিসাবে পালন করে আসছেন। শ্রীরামসি গনহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
ইতিহাস মতে, ১৯৭১ সালের ৩১ শে আগষ্ট সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে পাকহানাদার বাহিনী সাত-আট টি নৌকা যোগে শ্রীরামাসি বাজারে আসে। স্থানীয় রাজাকার আহমদ আলীসহ কয়েকজন রাজাকারদের দিয়ে গ্রামবাসীদের কে খবর দেওয়া হয় শ্রীরামসি হাইস্কুল মাঠে শামিত্ম কমিটির সভা আহবান করা হয়েছে। শামিত্মর আশায় গ্রামবাসীরা সে দিন স্কুল মাঠে সমবেত হয়। যারা আসতে দেরী করেন তাদেরকেও রাজাকারদের দিয়ে ডেকে আনা হয়। পরে পাকসেনারা ১০/১২ জন করে বিদ্যালয়ের কাছে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে লাইন ধরিয়ে গুলি করে ১২৬জন লোককে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ছাত্র, শিক্ষক, সরকারী কর্মচারী, যুবক, সাধারন গ্রামবাসী ও বেড়াতে আসা স্বজন। নারকীয় এ হত্যাকান্ডের পরপরই পাকসেনার শ্রীরামসি গ্রামে ঢুকে গ্রামের প্রায় ২৫০টি ঘরবাড়ী আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হুশিয়ারা আলী জানান, পাক বাহিনীর বর্বরতার পর ভীত স্বতস্থ মানুষ জন গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেলে দাফনের অভাবে লাশগুলো কুকুর শেয়াল টানা হেচঁড়া করে। ঘটনার চার-পাঁচ দিন পর কয়েক জন লোক গ্রামে ফিরে লাশগুলো দাফনের ব্যবস্থা করে। শ্রীরামসি বর্বরতার পরদিনই পাকবাহিনী উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারে গণহত্যা চালায়। সেখানেও লোককে গুলিকরে হত্যা করা হয়। শ্রীরামসি হত্যাকান্ডের বর্বর কাহিনীকে স্মরণ করে ১৯৭৩ সালে সরকারীভাবে শহীদের নাম সংবলিত স্মৃতি ফলক নির্মাণ করা হয়। এবং ১৯৮৭ সালে শ্রীরামসি গ্রামবাসী শহীদ স্মৃতি সংসদ নামে একটি স্মৃতি সংসদ গঠন করে আঞ্চলিক শোক দিবস পালন করে আসছেন।
স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন জানান, প্রতি বছরের ন্যায় স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও মেধাবৃত্তির সনদ বিতরণ সহ বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com