1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মামলাজট বাড়ছে- এস কে সিনহা

  • Update Time : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৫
  • ৪৯৪ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক:: প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বলেছেন, ‘বিচারক সংকট প্রকট হওয়া সত্ত্বেও নতুন বিচারক নিয়োগে দীর্ঘ সময় লাগছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে সময়মতো অনুমোদন পাওয়া যাচ্ছে না। এসব আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মামলাজট বাড়ছে। এ ছাড়া রয়েছে আদালত ভবনের স্বল্পতা।’
এস কে সিনহা বলেন, ‘সরকার আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নতুন পদ সৃষ্টি করে। সুপ্রিম কোর্টের মতামত নেওয়া হয় না।’
তিনি বলেন, ‘অন্যান্য মন্ত্রণালয়েও আমলা আছে। কিন্তু যারা বিচারকের পদ থেকে প্রেষণে আইন মন্ত্রণালয়ে যান, তারা আরও বেশি আমলা বনে যান।’

বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কথা উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘দেশের আদালতগুলো ৩০ লাখ মামলা টেনে চলেছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ মামলা জমি-সংক্রান্ত। এসব মামলা নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজনীয় বিচারক, আদালত কক্ষ ও অবকাঠামোগত সুবিধা নেই। এ নিয়ে বারবার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়ার পরও কোনো কাজ হচ্ছে না। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা চলতেই থাকে। এসব কারণে আদালতে মামলাজট বাড়ছে।’

শনিবার রাজধানীর তোপখানায় সিরডাপ মিলনায়তনে মাসিক লিগ্যাল এইড আয়োজিত ‘একসেস টু জাস্টিস : জুডিসিয়াল রিমেডি’ শীর্ষক সেমিনারে এস কে সিনহা এসব কথা বলেন।

মাসিক এইডের সম্পাদক অ্যাডভোকেট খাজা গোলাম মুর্শিদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি নাঈমা হায়দার প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

সেমিনারে দেশের অধস্তন আদালতে কর্মরত জেলা জজ ও সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সেমিনারে আদালতে অবকাঠামো ও বিচারক স্বল্পতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সারাদেশে অধস্তন আদালতে মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা এক হাজার ৬৫৫টি। এর মধ্যে শূন্য পদ রয়েছে ৪৫৭টি। জেলা জজ ও সমপর্যায়ের পদ শূন্য রয়েছে ২৯টি, অতিরিক্ত জেলা জজ ও সমপর্যায়ের পদ শূন্য রয়েছে ১২টি, যুগ্ম জেলা জজ ও সমপর্যায়ের পদ শূন্য রয়েছে ১৩০টি, সিনিয়র সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের পদ শূন্য রয়েছে ৭৩টি এবং সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের পদ শূন্য রয়েছে ২১৩টি।’

ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলার বিবরণ তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সারাদেশে ৪২টি ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি যুগ্ম জেলা জজ পদমর্যাদার বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। ১২টি ট্রাইব্যুনালে যুগ্ম জেলা জজ সমপর্যায়ের ১২ জন বিচারককে পদায়ন করা হয়েছে।’

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনে করা মামলার বিবরণ তুলে ধরে এস কে সিনহা বলেন, ‘বর্তমানে ৬১টি জেলায় মোট এক লাখ ১৯ হাজার ৪২৯টি মামলা বিচারাধীন। অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন কার্যকর হলেও এ আইনে দায়ের করা মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে এ পর্যন্ত কোনো বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়নি। বিদ্যমান আদালতগুলোতে কর্মরত যুগ্ম জেলা জজ ও সিনিয়র সহকারী জজরা তাদের সাধারণ দায়িত্বের পাশাপাশি মামলা পরিচালনায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।’

বিচার পরিচালনায় দীর্ঘসূত্রতার একাধিক কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখনও সনাতন পদ্ধতিতে চলছে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘শূন্য পদে বিচারক নিয়োগের প্রস্তাব করা হলেও অনুমোদন পেতে কমপক্ষে দুই বছর লেগে যায়।’

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা মামলাজটের অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আদালত সংকটের কারণে একজন বিচারক প্রথম সেশনে বসছেন, দ্বিতীয় সেশনে আরেকজন বিচারককে বসতে হচ্ছে। কীভাবে তারা ৩০ লাখ মামলা নিরসনে দৃষ্টি দেবেন। অনেক ক্ষেত্রে আইনজীবীরা বিচারককে সময় মতো সহায়তা না করার কারণে মামলা নিষ্পত্তি সম্ভব হয় না।’

এস কে সিনহা বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণ-সংক্রান্ত কিছু ফাইল আইন মন্ত্রণালয়ে, কিছু ভূমি মন্ত্রণালয়ে, কিছু ডেপুটি কমিশনারের দফতরে পড়ে রয়েছে। ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথক হলেও এখন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণাধীন।’

তিনি বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে গরিব বিচারপ্রার্থীর জন্য আইনি ফি এতো বেশি যে বিচার সহায়তা পেতে তারা ব্যর্থ হন।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com