1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

আসামে বাঙালিদের হেনস্তা!

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮
  • ৩৪৫ Time View

ভারতের আসাম রাজ্যের বরাক উপত্যকায় ৮০ শতাংশের বেশি বাঙালি। বরাক উপত্যকায় রয়েছে তিনটি জেলা, কাছার, করিমগঞ্জ এবং হাইলাকান্দি। এই বরাক উপত্যকার সঙ্গে রয়েছে পাশের চারটি রাজ্যের সীমান্ত। রাজ্য চারটি হলো: মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরা। আরও রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত।

গত ৩০ জুলাই আসামের জাতীয় নাগরিক পঞ্জি বা এনআরসি’র তালিকা প্রকাশের পর গোটা আসাম জুড়ে শুরু হয়েছে বাঙালি বিতাড়নের প্রক্রিয়া। এই নাগরিক পঞ্জিতে বাদ গেছে ৪০ লাখ মানুষের নাম। যাঁর অধিকাংশই হলো বাঙালি। এই তালিকা থেকে বাঙালিদের নাম বাদ দেওয়ার পর আসামসহ গোটা দেশে এই এনআরসির তালিকা নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। দাবি উঠেছে এনআরসি বাতিলের। করিমগঞ্জ উত্তর আসনের কংগ্রেস দলীয় স্থানীয় বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ বলেছেন, এনআরসির নামে বাঙালিদের হেনস্তার প্রতিবাদে তিনি শিগগিরই উচ্চ আদালতে এনআরসি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করছেন।

আজ মঙ্গলবার সকালে আসামের নাগরিক রক্ষা কমিটির সচিব প্রধান সাধন পুরকায়স্থ প্রথম আলোকে বলেছেন, বরাক উপত্যকার সঙ্গে রয়েছে ভারতের চারটি রাজ্যের সীমান্ত। এখন বরাক উপত্যকা থেকে কোনো বাঙালি অন্য রাজ্যে বেড়াতে বা বিভিন্ন কাজে গেলে তাদের হেনস্তা শুরু করেছে ওই সব রাজ্যের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা। তারা ওই সব রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ঢোকার পথে চেকপোস্ট বসিয়ে তাঁদের কাছে এনআরসি’র পরিচয়পত্র চাইছে। দেখাতে না পারলে তাঁদের তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এই তো সেদিন মণিপুর সীমান্তের জিরিবাম স্টেশনে বরাক থেকে যাওয়া বাঙালি যাত্রীদের এনআরসি পরিচয়পত্র চেক করার নামে হেনস্তা শুরু করেছে স্থানীয় ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সহায়তায় মণিপুরের পুলিশ। এই ঘটনার তিনি দাবি করেছেন, প্রতিটি ভারতীয়র যেকোনো রাজ্যে বিনা বাঁধায় চলাচল করার অধিকার রয়েছে । তবে আসামের পার্শ্ববর্তী মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরা সীমান্তে আসাম থেকে কোনো বাঙালি ঢুকলে তাদের এনআরসির নামে হেনস্তা করা হচ্ছে।

গাধন পুরকায়স্থ এ কথাও বলেছেন, বরাক উপত্যকার সরকারি ভাষা বাংলা। এখানে রেডিও-টিভিতে বাংলাভাষায় অনুষ্ঠান প্রচার হয়। ১৯৬১ সালে এই বরাক উপত্যকার শিলচর শহরে বাংলাভাষার আন্দোলন করতে গিয়ে ১১ জন শহীদ হয়েছিলেন। তাই এই বরাকভূমির বাংলাভাষীদের আত্মত্যাগ কোনোক্রমে এনআরসির নামে বাঙালিদের বিতাড়নকে মেনে নেবে না আসামের বাঙালিরা।

অন্যদিকে এই বরাক উপত্যকার শিলচরের সাংসদ সুস্মিতা দেব এনআরসির নামে বাঙালি বিতাড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। শনিবার তিনি কাছারের জেলা প্রশাসক এস. লক্ষণের কাছে একটি চিঠি দিয়ে এখানে বাঙালিদের ওপর হেনস্তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। বলেছেন, নইলে এই বাঙালি বিতাড়নের বিরুদ্ধে বরাক উপত্যকাজুড়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এ নিয়ে তিনি কথাও বলেছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে। দাবি তুলেছেন লোকসভায়। কিন্তু তাতে সায় মিলছে না কেন্দ্রীয় ও আসাম সরকারের। সুস্মিতা দেব প্রখ্যাত কংগ্রেস নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। একসময় আসামের বিধায়ক এবং শিলচর পৌরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com