স্টাফ রিপোর্টার-
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর এলাকার ইসাকপুর গ্রামের শ্মশান রকম ভূমি ও দেবোত্তর সম্পত্তি অন্যত্র বিক্রি করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। এব্যপারে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে বুধবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে শ্মশানঘাট রকম ভূমি ও দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
লিখিত অভিযোগে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান, ইসাকপুর মৌজায় কালাচাঁন জিউর উপসনালয় ও শশ্মান রকম আট শতাংশ ভুমি যা ইসাকপুর এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন শত বছর ধরে শ্মশানঘাট ও কালাচাঁদ জিউর উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।
বর্তমান জরিপে ১৫ শতক জায়গার মধ্যে ১০৩৫ নং খতিয়ানে ১৮৮৪ নং দাগে ৮ শতাংশ ভুমি শ্রী শ্রী কালা চাঁন জিউর উপসনালয় কমিটির পক্ষে সেক্রেটারী নামে রেকর্ডভূক্ত হয়েছে। বাকি জায়গা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জেলা প্রশাসকের মালিকানায় রেকর্ডভূক্ত হয়। সম্প্রতি উক্ত ভূমি এ গ্রামের সাবেক বাসিন্দা বর্তমানে সিলেটে বসবাসরত বিশ্ব বন্ধু দও পুরকায়স্থ গং জালিয়াতির মাধ্যমে নিজনামে রেকর্ড দেখিয়ে দখল করে অন্যত্র বিক্রি করার পায়তারা করছে।
ইসসাকপুর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি সমাজসেবী ধীরেন্দ্র কুমার সেন বলেন আমাদের পূর্বপুরুষ গন শত বছর ধরে উক্ত ভূমি শ্মশানঘাট ও কালা চাঁদ উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। যার ধারাবাহিকতায় আমরা ব্যবহার করছি। সাম্প্রতিককালে
জালিয়াতি করে ৪ শতক ভুমি বিশ্ব বন্ধু দও গং তাদের নামে রেকর্ড করে বিক্রির চেষ্টা করছে। আমরা এসব ভূমি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ইসাকপুর গ্রামের মাখন দেবনাথ জানান, আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকে উক্ত শ্মশানে আমরা আমাদের মৃত ব্যক্তিদের সৎকার করে আসছি। আমাদের শ্মশানঘাট রকম ভূমি বিক্রি করে দেওয়ার তৎপরতায় আমরা শঙ্কিত।
এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববন্ধু দত্তের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন আমি এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়ে স্হানীয় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা কে তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দিতে বলেছি। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply