1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

কম কথা বলা উন্নত চরিত্রের এক অপরিহার্য গুণ

  • Update Time : রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৮ Time View

উন্নত চরিত্রের মাপকাঠি নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভিন্ন মতামত থাকলেও, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং শ্রেষ্ঠ মাপকাঠি হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ভাষ্য। তাঁর প্রতিটি কথাই সত্য এবং সঠিক। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নীতি ও শিক্ষা মানবজীবনে সর্বোত্তম পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যার চরিত্র ও ব্যবহার ভালো, সে আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। কেয়ামতের দিন সে আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৪৭৪)।

তবে তিনি আরও বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা অনর্থক বকবক করে, উপহাস করে এবং অহংকার করে, তারা কেয়ামতের দিন আমার থেকে সবচেয়ে দূরে থাকবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫১১৫)এই হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) তিনটি নিন্দনীয় চরিত্রের কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলো সচ্চরিত্রবান মানুষের মধ্যে কখনো দেখা যায় না। এর মধ্যে প্রথমটি হলো— অনর্থক কথা বলা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এই শিক্ষা আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অধিক কথা বলা নানা ধরনের ভুলের জন্ম দেয়। ভাষা মানুষের অন্তরের প্রতিফলন এবং তাই অপ্রয়োজনীয় বা অনর্থক কথা চরিত্রের উন্নতির পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়।

বেশি কথা বলার ফলে ভুলের সুযোগও বেড়ে যায়। এই কথাটি মহা সাহাবি হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন, ‘যারা বেশি কথা বলে, তাদের স্খলনও বেশি হয়।’ একজন বিখ্যাত মনীষী ফুয়াইল ইবনে ইয়ায (রহ.) বলেন, ‘মুমিনরা কথা কম বলে এবং আমল বেশি করে। কিন্তু মুনাফিকরা কথা বেশি বলে আর আমল কম করে।’ এই বাণীটি থেকে আমরা শিখি, যে সত্যিকারের মুমিনের জীবনে কথার তুলনায় কাজের গুরুত্ব অনেক বেশি।
রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং পরকালে বিশ্বাস করে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১১০)

এই হাদিসটি আমাদের শেখায়, যে ভালো কথা বলা অথবা প্রয়োজনের সময় চুপ থাকা— এ দুটি উপায়েই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার গুরুত্ব।
এখন আমাদের জীবনে এই শিক্ষা বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। কম কথা বলা, সঠিক সময়ে চুপ থাকা এবং ভালো কথা বলা— এই গুণগুলো আমাদের চরিত্রকে আরও উন্নত এবং আল্লাহর কাছে প্রিয় করে তোলে।

সৌজন্যে খবরের কাগজ

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com