1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

কানাঘুষা ইসলামে নিষিদ্ধ

  • Update Time : শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১৭৭ Time View

একটি সমাজে মানুষ সুন্দরভাবে যেন বাস করতে পারে, সে জন্য ইসলাম মানুষের ছোট-বড় সব বিষয়েই শিক্ষা দিয়েছে। বিশৃঙ্খলা, অনৈতিকতা ও অরাজকতার সূত্রপাত যাতে না হয়, সে জন্য শুরু থেকেই এসব দরজা বন্ধ করে দিয়েছে ইসলাম। আর এসব ইসলামী জীবনযাপনের মধ্যেই আছে মুসলমানের জন্য সমূহ কল্যাণ।
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিষ্টাচার হলো, একজনকে একা বসিয়ে বাকিরা আলাদা বসে কানে কানে কথা বলা উচিত নয়। এর কারণে তৃতীয় ব্যক্তি নিজেকে অবহেলিত মনে করতে পারে। বা এভাবে অন্যদের আলাপে তার অন্তর ব্যথিত হতে পারে। সেই তৃতীয় ব্যক্তি তাদের ব্যাপারে নানা ধারণা করে ভবিষ্যতে তাদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে পারে, এর ওপর ভিত্তি করে তাদের মধ্যে ঘৃণা ও ক্রোধ ধীরে ধীরে বাড়বে; আর একসময় সেই ক্ষোভ বিস্ফোরিত হতে পারে। এ জন্য রাসুল (সা.) কেউ যেন এমনটা না করে সে ব্যাপারে সতর্ক করে গেছেন। আর এটাকে হালকা ও সাধারণ মনে করারও অবকাশ নেই। আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন তোমরা তিনজন হবে, তখন দুজন আর একজনকে বাদ দিয়ে দুজনে চুপিচুপি কথা বলবে না, যে পর্যন্ত না অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মিশে যাও—এ কারণে যে তাহলে তাকে দুর্ভাবনায় ফেলে দেবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৫৮৯)
অন্য বর্ণনায় এসেছে, কেননা এটা তাকে চিন্তিত করে। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৮২৫)

সাহাবায়ে কেরাম রাসুলের এই আদেশ যেন অমান্যকারী না হন, সে জন্য কী পন্থা অবলম্বন করেছেন তার বর্ণনা এসেছে এই হাদিসে। আবদুল্লাহ ইবনে দিনার (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) খালিদ ইবনে উকবা (রা.)-এর সেই ঘরের কাছে ছিলাম, যা বাজারে অবস্থিত ছিল। ইত্যবসরে এক ব্যক্তি এসে তাঁর সঙ্গে কানে কানে কিছু কথা বলতে ইচ্ছা করল। আবদুল্লাহ (ইবনে ওমর)-এর সঙ্গে আমি ও ওই ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ ছিল না। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) অন্য এক ব্যক্তিকে ডেকে নিলেন। এখন আমরা চারজন হলাম এবং তিনি আমাকে ও সেই ব্যক্তিকে একটু সরে যেতে বললেন, যাকে ডেকে নিয়েছিলেন এবং বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট শুনেছি, তিনি বলেছেন, দুজন একজনকে একা ছেড়ে কানে কানে কথা বলবে না (এতে তৃতীয় ব্যক্তি দুঃখিত হয়)। (মুয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস : ১৭৯৭)
পরস্পর দূরত্ব ও মনোমালিন্য ঘোচাতে এবং নিজেদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন ও সামাজিক বন্ধন অটুট রাখতে রাসুল (সা.) এই ছোট বিষয়গুলো (যা অনেকের দৃষ্টিতে সাধারণ মনে হতে পারে) আমাদের বলে গেছেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের রাসুল (সা.)-এর আদর্শ মোতাবেক চলার তাওফিক দান করুন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com