আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদের সরল পথ প্রদর্শন করো। তাদের পথ, যাদের তুমি অনুগ্রহ করেছ। তাদের পথ নয়, যারা ক্রোধ-নিপতিত ও পথভ্রষ্ট। (সুরা ফাতিহা, আয়াত : ৪-৭)
প্রথম সুরা ফাতিহায় বান্দা সুপথের যে দিশা প্রার্থনা করেছেন, আল্লাহ তার ফলস্বরূপ কোরআনের অবশিষ্টাংশ অবতীর্ণ করেছেন। (মাআরেফুল কোরআন : ১/৬৩)
বিধান ও শিক্ষা
১. উল্লিখিত আয়াতে আল্লাহর কাছে দোয়া করার পদ্ধতি শেখানো হয়েছে। আল্লাহর প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তাঁর প্রতি আনুগত্য ও নিজের অসহায়ত্ব তুলে ধরার পর কোনো দোয়া করা। (বুরহানুল কোরআন : ১/৩৫)
২. বান্দা ‘কেবল আপনার ইবাদত করি’ বাক্যের মাধ্যমে সব ধরনের শিরক বর্জন করে এবং ‘কেবল আপনারই সাহায্য চাই’ বাক্যের মাধ্যমে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। মূলত শিরকমুক্ত ইবাদত ও আল্লাহমুখী হওয়াই দাসত্বের মূলকথা।
৩. সিরাতে মুস্তাকিম দ্বারা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্যের পথ বা আল্লাহর দ্বিন অথবা কোরআন উদ্দেশ্য হতে পারে।
৪. সুরা নিসার ৬৯ নম্বর আয়াত দ্বারা বোঝা যায় নবী-রাসুল, সিদ্দিক, শহীদ ও পুণ্যবান ব্যক্তিরাই নেয়ামতপ্রাপ্ত। হাদিস দ্বারা বোঝা যায় ইহুদিরা আল্লাহর ক্রোধপ্রাপ্ত এবং খ্রিস্টানরা পথভ্রষ্ট। (ইবনে কাসির : ১/২৪৩, ২৪৯ ও ২৫৬)
৫. সুরা ফাতিহা পাঠ বা শ্রবণ করার পর ‘আমিন’ বলা মুস্তাহাব।
সৌজন্যে কালের কণ্ঠ